এই সমস্ত জায়গায় পরিযায়ী পাখির আগমনের শুরু হতেই পাখি শিকারিদের আনাগোনাও শুরু হয়ে যায়। চায়না জাল বিছিয়ে চলে পাখি শিকার। বিশেষ এই চায়না জালের সংস্পর্শে আসলেই পাখিদের আর ওড়ার ক্ষমতা থাকে না। ভোর রাতে পাখিগুলি সংগ্রহ করে বরাত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দেয় চোরা শিকারীরা। শুধু পরিযায়ী পাখি নয়, জলাশয়ের মধ্যে জাল এবং ফাঁদ পেতে পরিযায়ী পাখিদের পাশাপাশি হাঁসপাখি, বক, চ্যাগা সহ সমস্ত ধরনের পাখি...