উত্তরের পাহাড়েও রয়্যাল গর্জন! দু’বছর পর নেওড়াভ্যালিতেও বাঘ গুনবে বনদপ্তর
নেওড়া ভ্যালির পাশাপাশি গরুমারা, চাপরামারির জঙ্গলেও বাঘ গণনার কাজ চলবে।
নেওড়া ভ্যালির পাশাপাশি গণনা চলবে গরুমারা, চাপরামারির জঙ্গলেও। রয়্যাল বেঙ্গলের পাশাপাশি চিতাবাঘ-সহ ক্যাট প্রজাতির প্রতিটি প্রাণীই এই গণনার আওতায় থাকছে বলে জানা গিয়েছে। গণনা কর্মীদের কথা চিন্তা করে সুমারীর সময় জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহকে ভাবা হয়েছে। এই সময় শীতের তীব্রতা কমবে। কুয়াশাও দৃশ্যমানতায় ব্যাঘাত ঘটাবে না। এই সব দিক চিন্তা করেই জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহকে গণনার জন্য ভাবা হয়েছে বলে খবর। তবে এক, দুই সপ্তাহ...
আরও পড়ুন:
সমতল থেকে ১১ হাজার ফুট উচুতে, ১৫৯.৮৯ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গরুমারা বন্যপ্রাণী বিভাগের অন্তর্গত এই নেওড়া ভ্যালি জাতীয় উদ্যান। ১৯৯৮ সালে প্রথম বাঘের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় নেওড়ার জঙ্গলে। পায়ের ছাপ। খাবারের উচ্ছিষ্ট। নখের দাগ সহ একাধিক প্রমান মিললেও প্রত্যক্ষ দর্শন বলতে ২০১৭ সাল। ওই বছর ১৯ জানুয়ারি ভোরে লাভা থেকে সামান্য দূরে পেদং যাবার রাস্তায় নিজের মোবাইল ক্যামেরায় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছবি বন্দি...
এরপর বাঘের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে পাহাড়ি এই জঙ্গলের নানান জায়গায় ট্যাপ ক্যামেরা বন দপ্তরের তরফে লাগানো হয়। তাতে ওই বছর ২৩ জানুয়ারি প্রথম সরকারিভাবে একটি বাঘ নজরবন্দি হয়। যদিও মাঝে একটা বছর আর কোনও বাঘ দেখা যায়নি। যদিও ২০২২ সাল এবং ২০২৩ সালে ফের বাঘের ছবি ক্যামেরাবন্দি হয়। যা নিয়ে বনকর্মীদের মধ্যে আশার আলো তৈরি হয়।
আরও পড়ুন:
বনাধিকারিক দ্বিজো প্রতিম সেন জানান, প্রত্যক্ষ ও পরক্ষ দুটো পদ্ধতিই প্রয়োগ করা হবে গননায়। থাকবে ট্র্যাপ ক্যামেরা। শতাধিক ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পায়ের ছাপ সহ একাধিক নমুনা সংগ্রহ করা হবে। যা পরীক্ষা করে একটি না একাধিক সংখ্যায় বাঘ রয়েছে তা বিশ্লেষন করে দেখা হবে। একই পদ্ধতি কাজে লাগানো হবে গরুমারা ও চাপরামারির জঙ্গলে। পরিবেশ কর্মী সংগঠনের সদস্যদেরকেও এই গণনায় নেওয়া হবে। আর সেজন্য বনকর্মীদের বিশেষ...