Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
BJP

ঠাকুরবাড়িতে ফের শান্তনু-সুব্রত বিবাদ, বিজেপি জেলা সভাপতির গাড়ির চাকায় তালা দলেরই একাংশের!

বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ২০:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ২০:২৬

options
link
ঠাকুরবাড়িতে ফের শান্তনু-সুব্রত বিবাদ, বিজেপি জেলা সভাপতির গাড়ির চাকায় তালা দলেরই একাংশের! zoom

জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: বিজেপি জেলা সভাপতির গাড়ির চাকায় তালা মারল দলেরই একাংশ! সেই ঘটনা নিয়ে শুরু হল কটাক্ষ-পালটা কটাক্ষ। ফের প্রকাশ্যে এল শান্তনু ঠাকুর, সুব্রত ঠাকুরের বিবাদ। বনগাঁর ঠাকুরনগরের মতুয়া ঠাকুরবাড়ি ঘিরে এই ঘটনায় ফের দেখা দিল বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল। এই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

বিজেপি জেলা সভাপতির গাড়িতে তালা মেরে দেয়ার অভিযোগ উঠল গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনা নিয়ে রবিবার গাইঘাটার ঠাকুরবাড়িতে ফের দুই ভাই বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর ও গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরের মধ্যে বিবাদ প্রকাশ্য চলে এল! জানা গিয়েছে, বনগাঁ সংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি বিকাশ ঘোষ এদিন সকালে শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে ঠাকুরবাড়িতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সে সময় সুব্রত ঠাকুরের নেতৃত্বে কিছু বিজেপি কর্মী-সমর্থক বিকাশবাবুকে ঘিরে ধরেন। গাইঘাটা ১-এর মণ্ডল সভাপতি কে হবে, তা জানতে চাওয়া হয়। সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর না দিয়ে বিকাশবাবু চলে যান। অভিযোগ, চারমাস ধরে বিকাশ ঘোষ ওই এলাকার দলের আগামী দিনের মণ্ডল সভাপতির নাম ঘোষণা করছেন না।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অভিযোগ, এরপরই উত্তেজিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা সুব্রত ঠাকুরের নেতৃত্বে বিকাশ ঘোষের গাড়িতে তালা মেরে দেন। চারচাকা গাড়ির সামনের চাকায় শিকল দিয়ে তালা মারার কারণে আর সেটি চলতেও পারবে না। এই ঘটনা জানাজানি হতেই ঠাকুরবাড়ির চত্বরে উত্তেজনা দেখা দেয়। যদিও পরে শান্তনু ঠাকুরে জেলা সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে সেই শিকল খোলার ব্যবস্থা করেন। অভিযোগ, সে সময় শান্তনু ও সুব্রত দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়৷ প্রকাশ্যে দুই নেতাকে এভাবে বিবাদ করতে দেখে শুরু হয় চর্চা। ফের গেরুয়া শিবিরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগও সামনে আসে।

শান্তনু ঠাকুর বলেন, “বিজেপির জেলা সভাপতি বিকাশ ঘোষ আমার কাছে একটি দরকারে এসেছিলেন৷ সে সময় সুব্রত ঠাকুর জোর করে গাইঘাটার মণ্ডল সভাপতি কাউকে করতে চান। কিন্তু এটা দলীয় সিদ্ধান্ত কাকে মণ্ডল সভাপতি করা হবে। জেলা সভাপতি তাঁর কথামতো না চলায় ওরা গাড়িতে তালা দেয়। এটা লজ্জার।” সুব্রত ঠাকুর পালটা বলেন, “গাইঘাটার মণ্ডল সভাপতি কাকে করা হবে, কর্মীরা জানতে চেয়েছিল। কোনও উত্তর না দিয়ে বিকাশবাবু চলে যান। আমি নয়, ক্ষুব্ধ কর্মীরাই তালা দিয়েছে গাড়িতে।” যদিও এ বিষয়ে বিকাশ ঘোষ বলেন, “এ বিষয়ে আমি কিছু বলব না। যা বলার সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেছেন।”

বিজেপির এই দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসতেই ময়দানে নেমে পড়েছে তৃণমূল। এ বিষয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “বিজেপি উশৃঙ্খল৷ শুনেছি মণ্ডল সভাপতি করা নিয়ে ভাগ বাটোয়ারার জেরে এই গণ্ডগোল হয়েছে।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.