Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘পাকিস্তানে ঢুকে মারো, পাশে আছি’, মোদিকে আশ্বাস নেতানিয়াহুর

তাহলে কি পাক নীতিতে মোদির হাত আরও শক্ত হল?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০১৮, ০৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০১৮, ০৬:২৪

options
link
‘পাকিস্তানে ঢুকে মারো, পাশে আছি’, মোদিকে আশ্বাস নেতানিয়াহুর zoom

সংবাদ প্রতিদি ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ঘুসকে মারো’। পাঠানকোট হামলার পর বলেছিলেন অক্ষয় কুমার। এবার সেই সুরই শোনা গেল বিশ্ব-রাজনীতির এক দাবাং নেতার মুখে। ‘একেবারে পাকিস্তানে ঢুকে মারো, আমরা পাশে আছি’। বেনজিরভাবে ভারতের সমর্থনে এভাবে এগিয়ে এলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু

[প্রোটোকল ভেঙে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে আলিঙ্গন মোদির, কটাক্ষ কংগ্রেসের]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সামনে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণরেখা পার করে পাক জঙ্গি ডেরাগুলিতে ভারত সার্জিকাল স্ট্রাইক চালালে পাশে দাঁড়াবে ইজরায়েল। সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে নিজেকে রক্ষা করবে ভারত। প্রয়োজনে সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে দিল্লি। এক্ষেত্রে তেল আভিভ-এর সঙ্গে ‘বোঝাপড়া’ রয়েছে নয়াদিল্লির। তাঁর এই অবস্থানকে পাকিস্তানের প্রতি প্রচ্ছন্ন হুমকি বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। শক্ত হাতে প্যালেস্তাইনের জঙ্গি সংগঠনগুলির উপর লাগাম টেনে রেখেছেন তিনি। জন্মলগ্ন থেকেই সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। ‘ইওম কিপুর’ যুদ্ধে একাই আরব জোটের কোমর ভেঙে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে ওই দেশ। ফলে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে পাকিস্তানকে যে কড়া বার্তা দেবে বন্ধু দেশটি তা জানাই ছিল।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, নেহেরু-নীতি মেনেই জেরুজালেমকে ইজরায়েলের রাজধানী ঘোষণা করার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘে ভোট দেয় ভারত। ফলে দু’দেশের সম্পর্কে চিড় ধরার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। যদিও সেই ভয় উড়িয়ে দিলেন খোদ নেতানিয়াহু। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন একটি ভোট দু’দেশের সম্পর্ক নষ্ট হবে না। গত রবিবার ছ’দিনের ভারত সফরে এসেছেন তিনি। নিয়ে এসেছেন অত্যাধুনিক অস্ত্রের পসরা। খুব শীঘ্রই দু’দেশের মধ্যে মোটা অঙ্কের সামরিক চুক্তি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। যদিও প্রথাগতভাবেই ওই দেশ থেকে অস্ত্র আমদানি করে আসছে ভারত।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর আশ্বাসকে মোদি সরকারের বড়সড় কূটনৈতিক সাফল্য বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। মান্ধাতা আমলের নেহেরু নীতি থেকে না সরেও ইসরায়েলের সঙ্গে মজবুত সম্পর্ক বানিয়ে রাখা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। এনিয়ে প্রকাশ্যে কোনও বয়ান না দিলেও ইসলামাবাদে যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে তা স্পষ্ট। পাকিস্তান ও চিনের ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিতে ওয়াশিংটন-তেল আভিভ জুটিকেই আপাতত অস্ত্র করে নিয়েছেন মোদি।

[রাষ্ট্রসংঘে একটা ভোট ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কে চিড় ধরাবে না, আশ্বাস নেতানিয়াহুর]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.