সুব্রত বিশ্বাস: ট্রেনের টিকিটে ফ্লেক্সি ফেয়ারের পর এবার রেল স্টেশনগুলির রিটায়ারিং রুম ও ডরমেটরিগুলিতেও ফ্লেক্সি ফেয়ার চালু করতে চলেছে রেল। তবে চাহিদার তারতম্যে ভাড়া যেমন বাড়বে তেমনই কমবে। এজন্য রেল বোর্ড স্থানীয় প্রশাসনকে দায়িত্ব দিচ্ছে। বোর্ড নয়, ভাড়া নির্ধারণের এই সিদ্ধান্ত নেবেন ডিআরএম। তবে অতি সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু স্টেশনের এই রিটায়ারিং রুম ও ডরমেটরির দায়িত্ব নিয়েছে আইআরসিটিসি। ওই সংস্থা অবশ্য এই ধরনের ভাড়া বাড়ানো-কমানোতে যাবে না। আইআরসিটিসির পূর্বাঞ্চলের গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার দেবাশিস চন্দ্র জানান, এই সংস্থা শিয়ালদহের টেন্ডার নিয়েছে। সেখানে এই ধরনের কোনও ভাড়া নেওয়া হবে না।
[চাকরি পেয়েও ভেন্ডরের দায়িত্বে, অবৈধ ১৯টি স্টল ভাঙল রেল]
গুরুত্বপূর্ণ সব স্টেশনেই রয়েছে এই রিটায়ারিং রুম ও ডরমেটরি। এসি ও সাধারণ মানের। চাহিদা থাকলেও এগুলিকে সাধারণত এড়িয়ে যান যাত্রীরা। ভাড়া কম হলেও যাত্রীরা বাইরের হোটেলে যান মূলত, রিটায়ারিং রুম ও ডরমেটরিগুলি অবস্থা ভাল না, এসি, ফ্যান বহু ক্ষেত্রে চলে না। বেড সিট থেকে শৌচালয় অপরিচ্ছন্ন। ফলে যাত্রীরা এগুলি এড়িয়ে চলেন বলে তাঁরা জানান। গন্তব্যে আসা বা যাত্রা করার টিকিট থাকলেও রিটায়ারিং রুম ও ডরমেটরিগুলি বুকিং করা যায়। আগে অ্যডভান্স বুকিং-এর সিস্টেম না থাকলেও এখন অনলাইনে বুকিং হয়।
রিটায়ারিং রুম ও ডরমেটরিগুলিকে জনপ্রিয় করতে তা হোটেলের মতো করবে আইআরসিটিসি। পরিষেবা থেকে জৌলুস সবই থাকবে হোটেলের মতো। বর্তমানে রিটায়ারিং রুম ও ডরমেটরিগুলি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছে রেলের ইঞ্জিনয়ারিং বিভাগ। ফলে উপযুক্ত পরিষেবা ও মান যথাযথ নয়। আগামী দিনে একেবারে হোটেলের ধাঁচে পরিষেবা দেবে এই সংস্থা। তবে রিটায়ারিং রুম ও ডরমেটরির ভাড়া খুব কম। পরে যে এই ভাড়া বেশ ভালরকম হবে তা স্পষ্ট। সংশ্লিষ্ট সংস্থা ভাড়া কমবেশির পর্যায়ে না গেলেও রেল এই ভাড়ার নির্ধারিত সীমা রাখবে না। রায়পুর স্টেশনে এই রকম ফের ভাড়া অবশ্য ইতিমধ্যে চালু করেছে রেল। ডিআরএমকে এই ভাড়া নির্ধারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগির এই কম বেশি ভাড়ার রিটায়ারিং রুম ও ডরমেটরি সুযোগ মিলবে বিভিন্ন স্টেশনে।
[চাপের মুখে পিছু হঠল রেল, বন্ধ হচ্ছে না ৮ রেলপথ ]