Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬

অর্থনৈতিক সমীক্ষার ফাইলের রং গোলাপি কেন জানেন?

বাড়বে জিডিপি, ইঙ্গিত সমীক্ষায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০১৮, ১০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০১৮, ১০:১৭

options
link
অর্থনৈতিক সমীক্ষার ফাইলের রং গোলাপি কেন জানেন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির বাজেট পেশ সময়ের অপেক্ষা মাত্র। তার আগেই মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অরবিন্দ সুব্রমণিয়াম সোমবার প্রকাশ করলেন ২০১৮ সালের  অর্থনৈতিক সমীক্ষা। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে এই সংক্রান্ত যে ফাইল নিয়ে তিনি হাজির হন, সেটির কভার গোলাপি রংয়ের। কিন্তু কেন বেছে নেওয়া হয়েছে এই রং? অর্থনীতির সঙ্গে গোলাপি রঙের বিশেষ কোনও সম্পর্ক নেই। তাহলে কেন এই সিদ্ধান্ত?

জল সংকটে পড়ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, তালিকায় গোড়ার দিকেই ভারত ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যেমন তেমনভাবে এই রং বেছে নেওয়া হয়নি। নির্দিষ্ট ভাবনা থেকেই এই নির্বাচন। অরবিন্দ জানাচ্ছেন, এই রং নির্বাচন করে দেশ জুড়ে নারীর স্বাধিকার অর্জনের যে আন্দোলন চলছে তার পাশেই দাঁড়াচ্ছে সরকার। বলা বাহুল্য সেই অধিকার অর্জনে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা সবথেকে জরুরি। প্রকারন্তরে সে বার্তাই থাকছে এ কভারে। এবং এ সম্পর্কে দেশের নারীদের যে লড়াই তাকেই কুর্নিশ জানাচ্ছে সরকার। বাজেটেও যে উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট, নারীর সুরক্ষায় বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে তাও এই প্রাক-বাজেট পর্বে স্পষ্ট।

অমর্ত্য সেন ‘বিশ্বাসঘাতক’, নোবেলজয়ীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর ]

চলতি বছরের অর্থনৈতিক সমীক্ষা কী জানাচ্ছে? নোট বাতিল, জিএসটি-র জেরে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি জোর ধাক্কা খেয়েছিল। রে রে করে উঠেছিল বিরোধীরা। যদিও চাপের মুখেও ঠান্ডা মাথাতেই ছিল সরকার পক্ষ। ছোটখাটো কিছু পরিবর্তন ছাড়া অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সেখানেই অনড় থেকেছে প্রশাসন। তার সুফলই এবার মিলবে বলে সমীক্ষায় প্রকাশ। গোড়ার দিকে দেশের জিডিপি পড়েছিল। দ্রত উন্নয়নশীল দেশের তকমাও ক্রমশ ফিকে হচ্ছিল। কিন্তু সমীক্ষা ফিলছে, দ্রুত সেই সম্মান পুনরুদ্ধার করতে পারবে ভারত। বর্তমান অর্থবর্ষে ডিজিপি ৬.৫ শতাংশ। আগামী অর্থবর্ষে তা বেড়ে সাত থেকে সাড়ে সাত শতাংশ হতে পারে বলেও উঠে এসেছে সমীক্ষায়। জানা যাচ্ছে, পরোক্ষ করদাতার সংখ্যাবৃদ্ধি হয়েছে পঞ্চাশ শতাংশ। তা জিএসটি চালু হওয়ার পরই হয়েছে। ফলে আর্থিক বৃদ্ধি গোড়ায় ধাক্কা খেলেও আবার পুরনো গতি ফিরে পাবে। তবে তেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে সমীক্ষায়।

[ পছন্দ নিরাপদ যৌনতা, অবিবাহিত মহিলাদের মধ্যে কন্ডোমের চাহিদা বেড়েছে ৬ গুণ ]

আর মাত্র দিন তিনেকের মাথায় কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ। নরেন্দ্র মোদি সরকারের কাছে তা এক অগ্নিপরীক্ষাই বটে। জিএসটি-র মতো কঠোর সিদ্ধান্ত চালু হওয়ার পর এই প্রথম বাজেট পেশ করবেন অরুণ জেটলি। আর্থিক বৃদ্ধি বাড়াতে অর্থমন্ত্রী কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন সেদিকে নজর থাকবে গোটা দেশের। কৃষি ও ব্যাঙ্কিং সেক্টরের দিকেও বাড়তি নজর দেন কিনা তাও দেখার। তার আগে এই সমীক্ষা অনেকটা স্বস্তিই দিল সরকারকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.