Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

পুলিশকে মার, প্রিজন ভ্যান থেকে তিন নেতাকে ছিনতাই বিএনপি’র

উন্মত্ত ভিড়ের সামনে নিরুপায় হয়ে পড়েন পুলিশকর্মীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৮, ১৫:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৮, ১৫:৩১

options
link
পুলিশকে মার, প্রিজন ভ্যান থেকে তিন নেতাকে ছিনতাই বিএনপি’র zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ফের উত্তেজনা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। আইনের তোয়াক্কা না করে পুলিশের উপর চড়াও হল বিএনপি কর্মীরা। মঙ্গলবার, হাই কোর্ট সংলগ্ন মাজার গেটের সামনে প্রিজন ভ্যান থেকে তিন নেতাকে ছিনতাই করে খালেদা জিয়ার দলের কর্মীরা।

[দুর্নীতি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মুখে খালেদা জিয়া]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, ওই দিন একটি দুর্নীতি মামলার শুনানির জন্য হাই কোর্টে গিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। শুনানি শেষে প্রেসক্লাব-হাই কোর্ট সংলগ্ন মাজার গেটের সামনে দিয়ে ফিরছিল জিয়ার কনভয়। নেত্রীর সঙ্গে ছিল অসংখ্য সমর্থক। ওই সময়ই বিএনপি-র তিন নেতাকে নিয়ে ফিরছিল পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যান। সেই কথা জানতে পেরে পুলিশের গাড়ির উপর চড়াও হয় বিএনপি কর্মীরা। মারধর করা হয় পুলিশকর্মীদের। এমনকি তাঁদের অস্ত্রও ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। উন্মত্ত ভিড়ের সামনে নিরুপায় হয়ে পড়েন নিরাপত্তারক্ষীরা। তারপরই প্রিজন ভ্যান ভেঙে তিন নেতাকে নিয়ে যায় দলীয় সমর্থকরা। ঘটনায় আহত হন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী।

শাহবাগ থানার পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রিজন ভ্যানে ছিলেন বিএনপির কার্য্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির (৪০), সোহাগ মজুমদার (৩৮) ও মিলন (৩৮)। তবে ঘটনার সময় ভ্যানে অন্য কোনও কয়েদি ছিল না। ছিনতাইয়ের পর এখনও পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি ওই তিন নেতার। ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  উল্লেখ্য, দুর্নীতি মামলায় বেনজির শাস্তির মুখে পড়তে পারেন খালেদা জিয়া। ‘জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট’ দুর্নীতি মামলা মূল অভিযুক্ত বিএনপি নেত্রী। শীঘ্রই রায় ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। ওই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে তাঁর। সেক্ষেত্রে তিনি আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। ওই রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কা করছে আওয়ামি লিগ। পাশাপাশি ওই সাজানো মামলায় জিয়াকে ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়েছে বিএনপি।

[মৃত্যুর আগে সত্যিই কি ‘হে রাম’ বলেছিলেন গান্ধীজি?]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.