সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাস্তায় বন্ধুদের সঙ্গে খেলাচ্ছলে মারপিট করতে গিয়ে প্রাণ গেল ১৭ বছরের এক কিশোরের। ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে ২ জন নাবালককেও। ঘটনাটি ঘটেছে হায়দরাবাদে।
[নীরব মোদির প্রচারে শামিল, প্রিয়াঙ্কার পর পালাবার পথ খুঁজছেন সিদ্ধার্থও]
মৃতের কিশোরের নাম নাবিল মহম্মদ। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা সকলেই তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। মূল অভিযুক্ত মহম্মদ ওয়াইসি সবসময়ই বন্ধুদের দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করত। ঘটনার দিন পুরানো হায়দরাবাদের পাঞ্জেসা এলাকায় জড়ো হয়েছিল সকলে। প্রকাশ্য রাস্তায় দুই বন্ধুর সঙ্গে খেলাচ্ছলে মারপিট করে ওয়াইসি। তাদের হারিয়ে দেয় সে। এরপরই অন্য এক বন্ধুর সঙ্গে ওয়াইসির সঙ্গে মারপিট করতে রাজি হয় নাবিল। কিন্তু মারপিট শুরু হতেই নাবিলের উপর কার্যত চড়াও হন ওয়াইসি। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে মাথায় বারবার আঘাত করতে থাকে সে। মারের চোটে একসময় নাবিল জ্ঞান হারায় এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। এরপর ওই কিশোরকে বন্ধুরাই হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু, ততক্ষণে মারা গিয়েছিল নাবিল। নিজেদের বাঁচাতে নাবিলের পরিবারের কাছে আসল ঘটনার চেপে যায় অভিযুক্তরা। তারা জানায়, বাইক দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে নাবিল। প্রথমে সে কথা বিশ্বাসও করেছিলেন মৃতের পরিবার। ধর্মীয় রীতি মেনে মৃতদেহটি কবরও দিয়েছিলেন তাঁরা।
[নিউ ইয়র্কের হোটেলে বহাল তবিয়তে নীরব মোদি, ধনকুবেরকে নোটিস ইন্টারপোলের]
কয়েক দিন পর, ছেলের মৃত্যুর কারণ নিয়ে নাবিলের বাবার মনে সন্দেহ জাগে। পুলিশকে গোটা ঘটনা জানান তিনি। শুরু হয় তদন্ত। ঘটনাচক্রে, সেদিন নাবিলের সঙ্গে ওয়াইসির মারপিটের ভিডিও করেছিলেন তাদের এক বন্ধু। সেই ভিডিওটি কোনওভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওটি স্থানীয় বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলেও দেখানো হয়। মৃতের দেহটি কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। ময়নাতদন্তে নাবিলের দেহের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এরপর মহম্মদ ওয়াইসি-সহ মৃত কিশোরের সাত বন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২ জন নাবালিককেও আটক করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তদের কয়েকজনের বাড়ির লোকও আসল ঘটনাটা জানতেন। কিন্তু, ইচ্ছাকৃতভাবেই তা চেপে গিয়েছিলেন তাঁরা।
দেখুন ভিডিও:
[নদী কোনও রাজ্যের সম্পত্তি নয়, কাবেরী ইস্যুতে রায় সুপ্রিম কোর্টের]