Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার যোগ্যতা হারিয়েছেন মোদি, তোপ সিদ্দারামাইয়ার

রাহুল, মমতার সুরে সুর মিলিয়ে আক্রমণ কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীরও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৮, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৮, ১৬:২৪

options
link
প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার যোগ্যতা হারিয়েছেন মোদি, তোপ সিদ্দারামাইয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নীরব মোদির ঋণখেলাপি কাণ্ডে বার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে তোপ দাগলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। দুর্নীতির সঙ্গে মোদি যোগের ইঙ্গিত তুলে তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন মোদি।

[  বোফর্সের মতোই ধামাচাপা পড়বে নীরবের কীর্তি, বিস্ফোরক দাবি আইনজীবীর ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভোটযুদ্ধে এমনিতেই বিজেপির সামনে বড় কাঁটা সিদ্দারামাইয়া। তা টপকাতে মরিয়া পদ্ম শিবির। গোদের উপর বিষফোড়ার মতো এই সময়েই ফাঁস হয়েছে নীরব মোদির ঋণখেলাপির কীর্তি। কী করে প্রধানমন্ত্রীর চোখের সামনেই এত টাকা নিয়ে পালিয়ে গেল হীরকরাজ? নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল যে, তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। বরং দেশের মানুষ তাঁকে চৌকিদার করে তুলুক। প্রতীকী অর্থে জানান, তিনি এমন চৌকিদার হয়ে উঠবেন যিনি খান না, কাউকে খেতে দেবেনও না। দেশের সিন্দুকে যেন হাত না পড়ে তার জন্য সদাসতর্ক থাকবেন। এখন তাই বিরোধীদের প্রশ্ন, কোথায় গেলেন সেই চৌকিদার? কোথায় গেল সেই ৫৬ ইঞ্চি ছাতির জোর? এই হুলেই প্রধানমন্ত্রীকে গোড়া থেকে বিদ্ধ করেছেন রাহুল গান্ধী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্নীতির যোগ ঠারেঠোরে জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরও সাফ কথা, এই দুর্নীতি হিমশৈলের চূড়ামাত্র। নোট বাতিলের সময় থেকে এর শুরু। সে সময় বহু ব্যাংক অফিসারকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। কারা তাদের নিয়োগ করেছিল? মমতার দাবি, ব্যাংকের উপর সাধারণ মানুষের ভরসা উঠে গিয়েছে। এবার অন্তত সত্যিটা সামনে আসুক।

টাকা ফেরানোর রাস্তা বন্ধ করেছে পিএনবি, চিঠিতে দুষলেন নীরব ]

বিরোধীদের ক্রমাগত আক্রমণের মুখেও আশ্চর্যভাবে নীরব প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যে তিনি পড়ুয়াদের পরীক্ষা নিয়ে অনেক পরামর্শ নিয়েছেন। কিন্তু দেশের বৃহত্তম ব্যাংক কেলঙ্কারি নিয়ে তাঁর মুখে টুঁ শব্দটি নেই। এই প্রসঙ্গেই তীব্র আক্রমণ শানিয়ে সিদ্দারামাইয়া বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আজেবাজে অনেক কিছু নিয়ে কথা বলছেন। কিন্তু রাজ্য ও দেশের সঠিক সমস্যা নিয়ে তাঁর মুখে কোনও কথা নেই।” সিদ্দারামাইয়ার দাবি, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কথা বলছেন। যা তাঁর মুখে মানায় না। প্রধানমন্ত্রী পদে বসার যোগ্যতাই মোদি হারিয়েছেন বলে এদিন বিস্ফোরক দাবি তোলেন সিদ্দারামাইয়া।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

আপাতত ভোটযুদ্ধের হুংকার হলেও সিদ্দারামাইয়ার এ কথার সঙ্গে একমত অনেকেই। দেশের এতবড় সংকটে কেন প্রধানমন্ত্রী সামনে এগিয়ে এসে কোনও বিবৃতি দিচ্ছেন না, সে প্রশ্ন বহু সাধারণ নাগরিকেরও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.