সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে ক্রমশই বাড়ছে ধর্মীয় উন্মাদনা ও অসহিষ্ণুতা। এবার নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হল এক সন্ন্যাসীকে। ঘটনাটি পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার জালেশ্বর গ্রামে ঘটেছে। ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে হামলাকারীরা এখনও অধরা।
[জাফর ইকবালের উপর হামলার তদন্তে নয়া মোড়, আত্মসমর্পণ অভিযুক্তর মা-বাবার]
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত সন্ন্যাসীর নাম হারাধন ভট্টাচার্য ওরফে হারু ঠাকুর। বয়স ৭৫। মঙ্গলবার সকাল ১০.৩০ নাগাদ হামলা হয় তাঁর উপর। এলাকাবাসীরা জানান, এদিন ওই সাধুর ঘরে প্রবেশ করে এক বোরখা পরিহিত মহিলা ও তার সঙ্গে থাকা পুরুষ। শোবার ঘরে ওই সাধুকে বেঁধে ফেলে তাঁকে কুপিয়ে খুন করে আততায়ীরা। শোরগোল শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে খুনি পালিয়ে যায়। জানা গিয়েছে, অকৃতদার হারু ঠাকুর ভাইপো পিনাক ভট্টাচার্যের বাড়িতে থাকতেন। চাটমোহর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক পিনাক ভট্টাচার্য। দুষ্কৃতীরা তাকে হত্যা করার পর পিনাক ভট্টাচার্যের ঘর থেকে নগদ ১১ লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার-সহ অন্যান্য জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
খুনের ধরন দেখে ঘটনাটিকে জঙ্গি হানা বলেই সন্দেহ করছে পুলিশ। বাংলাদেশে জামাত জঙ্গিরা এইভাবেই হিন্দুদের উপর হামলা চালায়। একই রকমভাবে কুপিয়ে খুন করা হয় একাধিক মুক্তমনা ব্লগারকে খুন করেছে মৌলবাদীরা। কয়েকদিন আগেই ঢাকায় হামলা চালানো হয় বিশিষ্ট অধ্যাপক জাফর ইকবালের উপর। প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় এসেই মৌলবাদী শক্তিগুলির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবুও বাংলাদেশে ক্রমশই বেড়ে যাচ্ছে উগ্রপন্থীদের হামলা।
[বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক অসামরিক পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষর ভারতের]