Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬

প্রাপ্য মর্যাদা পাননি মধুবালা, মনরোর পাশে বসিয়ে স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের

কেন এই মূল্যায়ন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১২:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১২:৫৪

options
link
প্রাপ্য মর্যাদা পাননি মধুবালা, মনরোর পাশে বসিয়ে স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি স্বপ্নসুন্দরী। ভারতীয় চলচ্চিত্রের রূপকথায় তিনি যেন বন্দিনি অপ্সরা। কিন্তু একই সঙ্গে কি দুয়োরানিও? মধুবালাকে অন্তত সেরকম ভাবেই দেখল আন্তর্জাতিক মিডিয়া। নিউ ইয়র্কের টাইমস তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে রাখল মেরিলিন মনরোর পাশেই। তবে সেই সঙ্গে মূল্যায়নে জানাল, তিনি তাঁর প্রাপ্য মর্যাদাটুকু পাননি।

[  বীরেন্দ্রকৃষ্ণকে সরিয়ে ভাষ্যপাঠে উত্তমকুমার, ‘মহালয়া’ বিতর্ক এবার বড় পর্দাতে ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নিউ ইয়র্ক টাইমসের বিশেষ শ্রদ্ধা নারীদের প্রতি। ‘অবিচুয়ারিজ’ সিরিজে এতদিন পুরুষদেরই প্রাধান্য থাকত। এবার যোগ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে খ্যাতিমান নারীদেরও। মোট ১৫ জন মহিয়সীকে বেছে নেওয়া হয়েছে। যে তালিকায় আছেন মেরিলিন মনরো। আছেন মধুবালাও। ভারতীয় এই অভিনেত্রীর কৃতিত্বের খতিয়ান তুলে ধরে সম্মান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংবাদমাধ্যম। তবে তাদের মূল্যায়নে মধুবালা ‘ওভারলুকড’। অর্থাৎ তাঁর কাজের প্রতি যে নজর দেওয়া উচিত ছিল, তা দেওয়া উচিত হয়নি।

[  দেবের হাত ধরে বড় পর্দায় পদ্মশ্রী সুবাসিনী মিস্ত্রির সংগ্রাম ]

শুধু বলিউড নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তারকা ছিলেন মধুবালা। তথ্য দিয়েই সে কথা তুলে ধরা হয়েছে। নিউইয়র্কের একটি পত্রিকায় সে সময় তাঁকে বিশ্বের সবথেকে বড় স্টার হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। অভিনেত্রী হিসেবে খ্যাতির শীর্ষে আরোহণ করেছিলেন। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে শেষের দিকে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছিলেন। আয়ু যত ফুরিয়েছে জীবনের প্রতি তাঁর মোহ তত বেড়েছে। কিন্তু বাস্তব এই যে, অসুখে-যন্ত্রণায় দীর্ণ মধুবালাকে চলে যেতেই হবে। এই যন্ত্রণা গভীর ক্ষতের মতোই শেষের দিকে তাঁর বুকে বাসা বেধেছিল। সে সময় কে কে ছিল তাঁর পাশে? আজ হয়তো তাঁরাও কেউ বেঁচে নেই। তাঁর জীবন, তাঁর কাজকে পরবর্তী প্রজন্মই বা কতটা গুরুত্ব দিয়েছে? আমরা তাঁর সৌন্দর্য নিয়েই বেশি মুগ্ধ। কিন্তু একজন তারকার জন্ম ও দহন সম্পর্কে কতটাই বা ওয়াকিবহাল? তাহলে কি সত্যিই তিনি ওভারলুকড? ভিনদেশি মিডিয়া কিন্তু প্রশ্নটা তুলেই দিল।

[  রেডিওর সিগনেচার টিউন শুনলে মনে হত একা চিল উড়ে যাচ্ছে ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.