সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজের শহরের টোল প্লাজাতেই চূড়ান্ত হেনস্তার শিকার হলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে টোল প্লাজায় কর্তব্যরত পাঁচ কর্মীকে।
শনিবার দুপুরে ভিআইপি লেন দিয়ে যাওয়ার সময় নিবেদিতা সেতু টোল প্লাজায় আটকে দেওয়া হয় বিচারপতির গাড়ি। অভিযোগ, তিনি নিজের পরিচয় দিলেও তাঁকে ছাড়েন না সেখানকার কর্মীরা। ঠিক কী কারণে তাঁর গাড়িকে আটকে রাখা হয়, তারও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। দীর্ঘক্ষণ ধরে হেনস্তার শিকার হতে হয় তাঁকে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়ায় পাঁচজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩৫৩ ও ৩৪ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। রবিবারই তাঁদের আদালতে তোলার কথা।
[শুক্রবার ছেলেরা দাহ করলেন, শনিবার ‘মৃত’ ব্যক্তি ফিরলেন বাড়িতে!]
তবে এই টোল প্লাজায় এমন ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও ভিআইপি, ভিভিআইপি গাড়ি দেখেও তা রুখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে টোল প্লাজা কর্মীদের বিরুদ্ধে। এবার একইরকম পরিস্থিতিতে পড়তে হল কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতিকে। নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও কেন তাঁকে আটকে রাখা হল, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ধৃতদের। বিচারপতিকে খুনের কোনও মতলব ছিল কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে পাঁচ কর্মীকে গ্রেপ্তারের পরই রবিবার পালটে গিয়েছে টোল প্লাজার ছবিটা। হাওড়ার পুলিশ কর্মীরা টোল প্লাজার নিরাপত্তায় দায়িত্বে রয়েছেন আপাতত। সেই সঙ্গে রয়েছে বালি ট্রাফিক গার্ডও। এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে যাতে আর কাউকে পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করতেই চলছে কড়া নজরজারি। তবে টোল প্লাজা কর্মীরা ঠিক কোন উদ্দেশ্যে বিচারপতিকে আটকে রেখে হেনস্তা করেছিল, সে বিষয়ে সেখানকার অন্যান্য কর্মীদের জিজ্ঞেস করেও কোনও উত্তর মেলেনি।