Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কোনও সমস্যা নেই, অভিশপ্ত বিমানের শেষ বার্তায় রহস্য আরও গভীরে

ভুল রানওয়েতে নামায় কি বিপত্তি?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ১৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ১৮:৩৭

options
link
কোনও সমস্যা নেই, অভিশপ্ত বিমানের শেষ বার্তায় রহস্য আরও গভীরে zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ‘কোনও সমস্যা নেই’। কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে ভেঙে পড়া অভিশপ্ত বিমানটির পাইলটের এই ছিল শেষ বার্তা। তারপরই চালকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায় ‘এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের’। সংক্ষিপ্ত এই বার্তাই কিন্তি উসকে দিয়েছে জল্পনা। বিমানে নির্দিষ্ট কোনও গোলযোগ থাকলে তা কী করে পাইলটের চোখ এড়িয়ে গেল? উঠছে এমন প্রশ্নই।

[কাঠমান্ডুতে ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের বিমান, বহু যাত্রীর মৃত্যুর আশঙ্কা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শীর্ষ আধিকারিক রাজ কুমার ছেত্রী বলেন, “বিমানবন্দরে নামার অনুমতি পাওয়ার পর উড়োজাহাজটির পাইলট জানান, তিনি উত্তর দিকে অবতরণ করতে চান। তখন কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে জানতে চাওয়া হয়, সব ঠিকঠাক আছে কি না? এর জবাবে পাইলট জানিয়েছিলেন, কোনও সমস্যা নেই। অবতরণের আগে দুবার আকাশে চক্কর দেয় বিমানটি। আবার এটিসি থেকে জানতে চাওয়া হয়, সবকিছু কি ঠিক আছে? জবাবে পাইলট জানান, অল ইজ ওয়েল।” ছেত্রীর সংযোজন, এরপরই অবতরণে সমস্যা দেখে এটিসি থেকে পাইলটকে জানিয়ে দেওয়া হয়, উড়োজাহাজটি ঠিকভাবে অবতরণ করছে না। কিন্তু এই বার্তার কোনও জবাব পাইলটের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। এরপর থেকে কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে পাইলটের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ঘটনার জন্য কে দায়ী তা নিয়ে নানা সূত্র খোঁজার চেষ্টা হয়েছে। এমনই পরিস্থিতিতে ছেত্রীর এই বয়ান উসকে দিয়েছে বহু প্রশ্ন। সাধারণত বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ হলে তা সেন্সরের মাধ্যমে পাইলটের জানার কথা। কিন্তু এবার সেরকমটা হয়নি কেন? অবতরণের সময় কেন এটিসি-র সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেননি চালক? সহ-চালক তখন কী করছিলেন? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। এই প্রশ্নগুলির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে রহস্য সমাধানের পথ। এমনই মনে করছেন তদন্তকারীরা। সোমবার, কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাংলাদেশের একটি যাত্রীবাহী বিমান। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় অন্তত ৫০ জন যাত্রীর। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটির দুর্ঘটনার জন্য কাঠমান্ডুর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকেই দায়ী করছে বিমানসংস্থাটি। তবে পালটা পাইলটদের বিরুদ্ধেই গাফিলতির অভিযোগ জানিয়েছে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কতৃপক্ষ। একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে বিমানটির যে রানওয়েতে অবতরণ করার কথা ছিল, সেখানে না নামার ফলে এমন বিপত্তি। ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা হতে চললেও দুর্ঘটনার কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা জারি রয়েছে।

[গাড়ি থেকে নামিয়ে শিল্পী ব্রততীকে হেনস্তা, অকথ্য গালিগালাজ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.