Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

৩২৪টি দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত তেজস নিতে রাজি বায়ুসেনা

গ্রিপেন বা এফ-১৬ ছেড়ে তেজস কেন? জানতে পড়ুন-

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৯, ১৫:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৯, ১৫:৩৮

options
link
৩২৪টি দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত তেজস নিতে রাজি বায়ুসেনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত ৩২৪টি লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট (LCA) নিতে রাজি হয়েছে বায়ুসেনা। সেনার অন্তর্ভুক্তি হচ্ছে তেজস ফাইটার জেট বিমানের। এর ফলে বায়ুসেনায় যুদ্ধবিমানের যে ঘাটতি রয়েছে, তার খানিকটা পূরণ করা যাবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

[ভারতীয় বায়ুসেনাকে অজেয় করতে হ্যালের এক ডজন পদক্ষেপ]

তাঁদের মতে, ৩২৪টি তেজস ফাইটার জেট নিলে ভারতীয় বায়ুসেনায় স্কোয়াড্রনের ঘাটতি খানিকটা মিটবে। এতদিন বায়ুসেনা বারবার জানিয়ে এসেছে, তেজস ফাইটার জেটগুলি যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি তৈরি নয়। কিন্তু গত ৩ দশক ধরে তেজসে বারবার নানা মডিফিকেশন করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে পাল্লা। আর এবার হ্যাল-এর কাছ থেকে এখনই ১২৩টি তেজস কিনছে বায়ুসেনা। প্রাথমিকভাবে এর জন্য খরচ হবে ৭৫,০০০ কোটি টাকা। তবে বায়ুসেনাও একটা শর্ত রেখেছে। তেজস মার্ক ২ আরও উন্নত হতে হবে। অধিক উচ্চতায় ব্যালেন্স, আরও উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, শক্তিশালী ইঞ্জিন ও রেডার এবং বহনক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে। সূত্রের খবর, DRDO ও হ্যাল-এর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত মার্ক ২ ফাইটার জেটগুলির সবমিলিয়ে ১৮টি স্কোয়াড্রন চাইছে বায়ুসেনা। ইতিমধ্যেই হ্যাল-এর কাছে ৮৩টি ফাইটার জেট কেনার প্রস্তাব পেশ করেছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বারবার কেন রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় ভারতের বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানীদের?]

সেনা চায়, ২০১৯-২০-র মধ্যেই এই চুক্তি বাস্তবায়িত হোক। বর্তমানে সিঙ্গল ইঞ্জিনের তেজস এক ঘণ্টার বেশি উড়তে পারে না। ৩ টন পর্যন্ত অস্ত্র বহনে সক্ষম ও ৩৫০-৪০০ কিলোমিটারের বেশি একটানা উড়তেও পারে না। অন্যদিকে, আরেক সিঙ্গল ইঞ্জিন ফাইটার জেট সুইডিশ গ্রিপেন কিন্তু তেজসের চেয়ে তিনগুণ বেশি কার্যকরী। তার অস্ত্র বহনের ক্ষমতাও প্রায় দ্বিগুণ। সূত্রের খবর, বায়ুসেনাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, দেশীয় যুদ্ধবিমানের দিকে বিশেষভাবে নজর দিতে। আর তাই সুইডেন বা আমেরিকায় নির্মিত যুদ্ধবিমানের চেয়ে সেনার নজরে এখন দেশীয় তেজস। তবে তেজসের ইঞ্জিনের ক্ষমতা ও মরণ ক্ষমতার পাল্লা বাড়ানো হবে। বায়ুসেনা কিন্তু এই সাউথ ব্লকের এই সিদ্ধান্তে খুব একটা খুশি নয়। কারণ, এফ-১৬ বা গ্রিপেনের চেয়ে তেজসের দক্ষতা প্রায় অর্ধেক। কিন্তু এটাও ঠিক যে বায়ুসেনায় এই মুহূর্তে বেশি সংখ্যায় যুদ্ধবিমান দরকার। অত যুদ্ধবিমান বিদেশ থেকে কেনার অনুমতি এখনও মেলেনি। তাই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ঘাটতি মেটাতে কেনা হচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তির তেজস।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

কতটা শক্তিশালী তেজস, দেখে নিন ভিডিওতে-

রইল আরও ভিডিও:

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.