সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফেসবুকের তথ্য চুরি নিয়ে ডামাডোল। আঁচ পড়েছে জাতীয় রাজনীতিতেও। কংগ্রেসের সঙ্গে কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার সংযোগ নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে পালটা তোপ দাগলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তাঁর সাফ কথা মসুল থেকে নজর ঘোরাতেই এইসব গপ্পোর আমদানি।
[ তথ্য চুরির দায় স্বীকার করলেন মার্ক জুকারবার্গ, আশ্বাস পূর্ণ তদন্তের ]
এদিন টুইট করে বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তবে তার আগে অবশ্য এ নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহুলের উত্থান নিয়ে কংগ্রেসকে দুষছে বিজেপি। ওদিকে মোদির জনপ্রিয়তা থেকে নির্বাচনী বৈতরণি পেরতে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার নিয়ে কংগ্রেসও তোপ দাগছে। তবে শুরুটা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদই। রাহুলের নাম করেই তিনি তথ্য চুরির অভিযোগ কংগ্রেসকে বেঁধেন। বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের জন্য এই কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা নামে সংস্থাটিরই শরণাপন্ন হয়েছে কংগ্রেস। যার বিরুদ্ধে ফেসবুক থেকে তথ্য চুরির অভিযোগ। অন্যদিকে কংগ্রেসের বক্তব্য, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের সময়ই এই সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিল বিজেপি। রণদীপ সুরজেওয়ালা পালটা তোপ দেগেছেন।
[ তথ্য চুরি নিয়ে ফেসবুককে সতর্ক করল কেন্দ্র ]
এই পরিস্থিতিতে একেবারে সরাসরি আক্রমণের স্ট্র্যাটেজি রাহুলের। আর এই ক্ষেত্রে তাঁর হাতিয়ার মসুল। টুইট করে তিনি জানান, মসুলে ৩৯ জন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। তা নিয়ে নানা মহলে নানা প্রশ্ন আছে। এবার সরকারের কী কাজ? সরকার এখন কংগ্রেসের সঙ্গে তথ্য চুরির যোগসাজশ নিয়ে গল্প খাড়া করে বাজার গরম করছে। আসলে এ সবই মসুল থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা। সরকারের মিথ্যাচার ধরা পড়ে গিয়েছে, এখন তা থেকেই বাঁচতে তথ্য চুরি নিয়ে যত ডামাডোল। আর তাই টার্গেট করা হচ্ছে কংগ্রেসকে। মসুল নিয়ে যে জমি ছাড়তে নারাজ কংগ্রেস সভাপতি, তা এদিন তাঁর আক্রমণের ঝাঁজেই মালুম হয়েছে।
[ ভারতে কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার গ্রাহক কারা? তরজায় বিজেপি-কংগ্রেস ]