Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মহুল গাছ লাগিয়েই মায়ের স্মৃতিচারণ শবরদের

শবর মেলায় ‘জননী’ বলেছিলেন, “আমার মৃত্যুর পর এখানেই সমাধিস্থ করতে হবে৷ তারপর দাহস্থলে একটি মহুল গাছ লাগবে৷” সেই ইচ্ছের জন্যই এই কর্মসূচি নিচ্ছে শবরদের এই সংগঠন৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৬, ১০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৬, ১০:৪৬

options
link
মহুল গাছ লাগিয়েই মায়ের স্মৃতিচারণ শবরদের zoom

স্টাফ রিপোর্টার: ‘শবর জননী’-র ইচ্ছের মর্যাদা দিতে তাদের প্রথামত মহুল গাছ লাগিয়ে মাতা-র স্মৃতিচারণা করবে শবররা৷ শুক্রবার কেওড়াতলা শ্মশানে সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী মহাশ্বেতাদেবীর পূর্ণরাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হলেও পুরুলিয়ার কেন্দার শবরভূমি রাজানোওয়াগড়ে মহুল গাছ লাগিয়ে তাঁর ইচ্ছের মর্যাদা রাখবেন৷ কারণ ২০০৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ খেড়িয়া শবর কল্যাণ সমিতির সদর দফতর এই রাজনোওয়াগড়ের পাশের মাঠে শবর মেলায় ‘জননী’ বলেছিলেন, “আমার মৃত্যুর পর এখানেই সমাধিস্থ করতে হবে৷ তারপর দাহস্থলে একটি মহুল গাছ লাগবে৷” সেই ইচ্ছের জন্যই এই কর্মসূচি নিচ্ছে শবরদের এই সংগঠন৷

শবররা মাতৃহারা হওয়ায় এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ‘শবর সংসার’ কে সামলাবে৷ কারণ ১৯৬৮ সালে শবর সমিতির প্রতিষ্ঠাতা গোপীবল্লভ সিংদেও বয়সের ভারে ন্যূব্জ৷ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন৷ তাছাড়া এই সংগঠনটিও প্রায় ছন্নছাড়া৷ পুরুলিয়া-মানবাজার রাস্তায় রাজনোওয়াগড় মোড় থেকে কিছুটা দূরেই এই সংগঠনের কার্যালয়৷ এদিন সকালে সেখানে গিয়ে দেখা যায় চারদিক শুনশান৷ গোটা কার্যালয় এলাকা জুড়েই শূন্যতা গ্রাস করেছে৷ যে আমগাছের তলায় সিমেন্ট বাঁধানো চেয়ারে মহাশ্বেতাদেবী বসতেন সেখানে বসেই অঝোরে কাঁদছিলেন গোপীবল্লভ সিংদেও৷ এই কার্যালয়ে রান্না করা ত্রিলোচন রানা বলেন, “চোখের সামনে ভাসছে সেইসব দিনগুলো৷ মনে হচ্ছে এই সেদিনকার ঘটনা৷ লাল চা খেতে খুব ভালবাসতেন৷ মেলার সময় খিচুড়ি খেতেন৷ তেলেভাজা-মুড়িও প্রিয় ছিল৷”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মাসখানেক আগেও ‘শবর জননী’-র একবার ফোন আসে এই দফতরে৷ আসার ইচ্ছে প্রকাশও করেন৷ তাই কার্যালয়ে থাকা হালকা হলদে রঙের গ্রিল দেওয়া একতলা বাড়িটি নতুন করে পরিষ্কার করার কাজও শুরু হয়৷ কিন্তু আর ওই লম্বা টানা বারান্দার ঘরে কোনওদিনই পা রাখবেন না শবর মাতা৷ খোঁজ নেবেন না শবর শিশুরা স্কুলে যাচ্ছে কি না৷ নেশা করছে না তো? সংগঠনের অধিকর্তা প্রশান্ত রক্ষিত বলেন, “জননী’-র ইচ্ছের মর্যাদা দিয়ে আমরা সদর দফতরে একটা মহুল গাছ লাগিয়ে স্মৃতিচারণা করব৷”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.