Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ধর্ম-জাতির উল্লেখ না করেই স্কুলে ভরতি ১.২৪ লক্ষ পড়ুয়া

ধর্মনিরপেক্ষতা অনুশীলনে নজির কেরলে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১৪:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১৪:৩৪

options
link
ধর্ম-জাতির উল্লেখ না করেই স্কুলে ভরতি ১.২৪ লক্ষ পড়ুয়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পড়ুয়াদের কোনও ধর্ম হয় না। তবু স্কুলে ভরতির ক্ষেত্রে ধর্ম ও জাতির উল্লেখ করতে হয়। অ্যাডমিশন ফর্মেই উল্লেখের জায়গা থাকে। এমনটাই দস্তুর। কিন্তু তা ফাঁকা রেখেই চলতি সেশনে স্কুলে ভরতি হয়েছে প্রায় ১.২৪ লক্ষ পড়ুয়া। ধর্মনিরপেক্ষতা অনুশীলনের অভূতপূর্ব নজির কেরলে।

 প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সরগরম দিল্লি, ক্ষুব্ধ সোলি সোরাবজি ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেরলের শিক্ষামন্ত্রীর এই বিবৃতি সামনে আসার পরই গোটা দেশে নাড়া পড়েছে। যেখানে ধর্মের নামে এত হানাহানি, রাজনীতি, সেখানে এই ঘটনা নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী নমুনা। সে রাজ্যের বিধানসভাতেই এ প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন তুলে সিপিএম নেতা ডি কে মুরলি জানতে চান, কতজন পড়ুয়া ধর্ম নিরপেক্ষভাবে স্কুলে ভরতি হয়েছে? উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী সি রভিন্দ্রনাথ জানান, চলতি সেশনে প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১.২৪ লক্ষ পড়ুয়া ধর্মের কলাম ফাঁকাই রেখেছে। অর্থাৎ স্কুলে ভরতির অ্যাপ্লিকেশন ফর্মে অন্যান্য তথ্য দিলেও এই তথ্য অনুল্লেখ ছিল। তা নিয়ে ভরতিতে অবশ্য কোনও সমস্যাও হয়নি।

 ধর্ষকদের প্রকাশ্যে গুলি করতে চাই শুটিং স্কোয়াড, দাবি বিজেপি সাংসদের ]

বিভিন্ন ধরনের ফর্মে জাতি ও ধর্মের কথা উল্লেখ করতে হয়। তা নিয়ে মতবিরোধও আছে। কেউ কেউ এই প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান। কারও মতে, ধর্ম নিরপেক্ষতার সঠিক উদাহরণ দিতে গেলে ধর্মের কলাম ফাঁকা রাখাই উচিত। বরং একমাত্র পরিচয় ভারতীয় হওয়া উচিত। সম্প্রতি ফুটবলার সি কে বিনীত তাঁর ছেলের বার্থ সার্টিফিকেটে এই কলাম ফাঁকা রেখেছিলেন। তাঁর মত ছিল, ছেলের নিজের পছন্দ অনুযায়ী ধর্মাচরণের স্বাধীনতা আছে। সুতরাং আগেভাগেই তা স্থির করে দেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। ২০১৭ সালেই এই নমুনা রেখেছিলেন কংগ্রেস নেতা ভিটি বলরাম এবং সিপিআইএম সাংসদ এমবি রাজেশ। তাঁদের সন্তানদের স্কুলে ভরতির ক্ষেত্রেও তাঁরা জাতি ও ধর্মের কলাম ফাঁকা রেখেছিলেন। সেই ট্রেন্ড পরবর্তীকালে অনেকেই অনুসরণ করেছিলেন। চলতি সেশনে বিপুল সংখ্যক পড়ুয়ার অভিভাবকরা জাতি-ধর্ম উল্লেখ না করার পক্ষেই রায় দিয়েছেন। দেশ ও সমাজের ধর্মনিরপেক্ষ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এর থেকে ভাল পদক্ষেপ আর কিছু হয় না। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সিদ্ধান্তকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন বহু দেশবাসীই।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.