Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিক্ষোভে উত্তাল গাজা সীমান্ত, ইজরায়েলে সংঘর্ষে মৃত অন্তত ১৭

ব্যর্থ হামাস জঙ্গিদের হামলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০১৮, ১৭:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০১৮, ১৭:১৩

options
link
বিক্ষোভে উত্তাল গাজা সীমান্ত, ইজরায়েলে সংঘর্ষে মৃত অন্তত ১৭ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইজরায়েল-গাজা সীমান্তে হামাস জঙ্গিদের আক্রমণ ব্যর্থ করে দিল সদা সতর্ক ইজরায়েলি সেনা (আইডিএফ)। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে অন্তত ১৭ জন প্যালেস্তিনীয় বিক্ষোভকারী প্রাণ হারিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন শরণার্থী ও আম নাগরিকরাও। ইজরায়েলি সেনার বুলেট রেয়াত করেনি কাউকেই। যদিও সেনার পালটা দাবি, বিক্ষোভকারীরা জঙ্গিদের সাহায্যে ইজরায়েলের ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। আইডিএফ জানিয়েছে, আরব অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে ইহুদিদের বাঁচাতে বাধ্য হয়ে গুলি চালাতে হয়েছে।

[লোকালয় ছেড়ে পাহাড়ে, বাংলাদেশকে রক্তাক্ত করতে নয়া পন্থা জেহাদিদের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেনার তরফে নিজের দাবির সপক্ষে একটি ভিডিও-ও প্রকাশ করা হয়েছে। ওই ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, শিশু-নারীদের ঢাল করে জঙ্গিরা সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। ইজরায়েলি সেনার দাবি, কোনও মহিলা বা শিশু এদিনের অভিযানে আক্রান্ত হয়নি। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের উপর নৃশংসভাবে হামলা চালায় আইডিএফ। সেনার ট্যাঙ্ক পিষে দেয় নিরীহ নাগরিকদের। ড্রোন থেকে ফেলা হয় টিয়ারগ্যাস। ভারী মেশিনগান থেকে গুলিবৃষ্টি করা হয় বিক্ষোভকারীদের উপর। ওই হামলায় অন্তত ১ হাজার ৭০০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা গুরুতর। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইজরায়েল-গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন অারও ৩০ হাজার প্যালেস্তিনীয় শরণার্থী। ইজরায়েলের জন্মের সময় নিজের ঘরবাড়ি হারিয়েছিলেন প্যালেস্তিনীয়দের একটি বড় অংশ। হারানো জমি ফিরে পেতেই এই আন্দোলন।

১৯৪৮ সালে জন্ম। তারপরই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। বারুদের স্তুপের উপর বেড়ে উঠা ইজরায়েলের। ‘বাঁচতে হলে লড়তে হবে’ জন্মেই বুঝে গিয়েছিল দেশটির জনতা। ফলে জন্মলগ্ন থেকেই লড়াকু তারা। প্রতিবেশী আরব দেশগুলির আক্রমণে তা বুঝে গিয়েছিল ইহুদি মানুষ। থেমে থাকেনি প্যালেস্তিনীয়রাও। ইয়াসির আরাফতের পিএলও থেকে শুরু করে হামাস-ফতেহ রক্তাক্ত করেছে তেল আভিভকে। পালটা মার দিয়েছে ইজরায়েলি সেনাও। সব মিলিয়ে ক্রমশই খারাপ হচ্ছে পরিস্থিতি।

দেখুন বিস্ফোরক ভিডিও:

[সিরিয়া থেকে দ্রুতই সরবে মার্কিন সেনা, ঘোষণা ট্রাম্পের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.