সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মোহনবাগানের ডামাডোল অব্যাহত। ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের গণ-পদত্যাগের পরই সচিব অঞ্জন মিত্রর বিরুদ্ধে তাঁদের ক্ষোভ আরও প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। এবার সমস্যা মেটাতে সেই পদত্যাগী সদস্যদের নিয়ে আলোচনায় বসলেন সবুজ-মেরুনের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বোস। যাঁকে অভিভাবক বলেই মানেন তাঁরা।
[আইপিএলের টিকিট বিক্রি ঘিরে ধুন্ধুমার ময়দানে, উঠল কালোবাজারির অভিযোগ]
এদিন স্বপনসাধন বোসের হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিটের অফিসে সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে বসেন সৃঞ্জয় বোস, দেবাশিস দত্ত, সত্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়, উত্তম সাহা, সঞ্জয় ঘোষ, সম্রাট ভৌমিক-সহ পদত্যাগী সদস্যরা। সেখানেই টুটু বোসের সামনে ক্লাবের বর্তমানে অবস্থাটা তুলে ধরা হয়। সচিব কী চাইছেন এবং সদস্যদের কী দাবি, সবই জানানো হয় তাঁকে। একসময় ক্লাবের বহু সমস্যার সমাধান করেছেন টুটু বোস। যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ক্লাবের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। তাই সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও এখনও তাঁর পরামর্শকে গুরুত্ব দেন ক্লাবকর্তা, সদস্য-সমর্থকরা। সব শুনে দু’দিন সময় চেয়েছেন টুটু বোস। গোটা বিষয়টি ভেবে দেখে প্রয়োজন হলে দু’দিন পর ফের সদস্যদের সঙ্গে বসবেন বলেও জানান তিনি।
[পাঞ্জাবকে হারিয়ে চলতি আইপিএলে জোড়া রেকর্ডের মালিক রোহিত]
শোনা যাচ্ছে, বিবাদ মেটাতে সচিব অঞ্জন মিত্রর সঙ্গেও আলোচনায় বসতে পারেন টুটু বোস। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে যে ভাঙন ধরেছে সে ফাটল কিছুটা জোড়া দিতেই অঞ্জন মিত্রর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন তিনি। ফোনে অথবা দেখা করে কথা বলতে পারেন তাঁরা। তবে ক্লাবের এমন ডামাডোলে যে বেশ অসন্তুষ্ট, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন টুটু বোস। বৈঠকে উপস্থিত অসিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “টুটুদা অভিভাবক। ডেকেছিলেন। শুনলেন। বললেন, এভাবে তো চলতে পারে না। প্লেয়ারদের মন ভাঙছে। উনি দায়িত্ব নিয়েছেন। দুদিনের মধ্যে জানাবেন।” তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “উনি একবারও বলেননি স্ট্যান্ড চেঞ্জ করো বা কিছু। আইনি পরামর্শ নিয়ে যা সঠিক, তাই করা হবে। সবার কথাই শুনেছেন। সবাই কেন পদত্যাগ করেছেন, তাও বলা হয়েছে। সব মাথায় রেখেই নিশ্চয়ই তিনি সচিবের সঙ্গে কথা বলবেন।”