Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সেনার গুলিতে খতম ‘৩৬ ঘণ্টা’-র জঙ্গি, শেষ ফোনে বাবাকে কী বলেছিল রফি ভাট?

নৃশংস জঙ্গি হয়ে ওঠা হল না মেধাবী অধ্যাপকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০১৮, ২০:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০১৮, ২০:৫৮

options
link
সেনার গুলিতে খতম ‘৩৬ ঘণ্টা’-র জঙ্গি, শেষ ফোনে বাবাকে কী বলেছিল রফি ভাট? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্কঃ ‘যদি তোমাকে আঘাত দিযে থাকি, তবে আমি দুঃখিত। এটাই হয়ত তোমাকে করা আমার শেষ ফোন। কারণ এরপর আমি আল্লার সঙ্গে দেখা করতে যাব’। বাবাকে করা শেষ ফোনে এটাই ছিল কাশ্মীরে নিহত হিজবুল জঙ্গি মহম্মদ রফি ভাটের শেষ কথা। বাবা-ছেলের এই কথোপকথনের রেকর্ডই হাতে এসেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের হাতে। যেখানে নিহত জঙ্গির বাবাকে পরামর্শ দিতে শোনা গিয়েছে আত্মসমর্পণের।

রবিবার সকাল থেকেই সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ান। সেনার গুলিতে খতম হয়েছে পাঁচ জঙ্গি। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছে এক হিজবুল কমান্ডার। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার হিজবুল মুজাহিদিনে যোগদান করেছিল সমাজতত্ত্ববিদ মহম্মদ রফি ভাট। দেড়দিনের মাথায় রবিবার সে গিয়েছিল প্রথম অভিযানে। জানা গিয়েছে, রবিবার সাত সকালে বাবা ফৈয়াজ আহমেদ ভাটকে ফোন করেছিল সে। ফোনে করুণ গলায় বাবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিল হিজবুল জঙ্গি ভাট। ছেলেকে পাপের পথ থেকে ফিরে আসতে ফোনেই পরামর্শ দিয়েছিলেন মৃত জঙ্গির বাবা ফৈয়াজ আহমেদ ভাট। চেয়েছিলেন, অস্ত্র ত্যাগ করে সেনার কাছে নিজেকে আত্মসমর্পন করুক ছেলে। তবে তা ঘটেনি বাস্তবে। বাবার কথা রাখেনি ৩৬ ঘন্টার জঙ্গি মহম্মদ রফি ভাট। ছেলের ফোন পেয়েই তাদের বাড়ি থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বোটা কাদাল অঞ্চলে দৌঁড়ে গিয়েছিল জঙ্গি ভাটের বাবা-মা-বোন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ততক্ষণে সেনার গুলিতে নিহত হয়েছে ভাট। ছেলের সৎকার করার জন্য বাড়ি ফিরে এসেছিল জঙ্গির পরিবার।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

৩৩ বছরের মহম্মদ রফি ভাট ছিল কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্বের অধ্যাপক। শুক্রবারই নিজের চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছিল সে। যোগদান করেছিল জম্মু-কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল মুজাহিদিনে। জানা গিয়েছে, জঙ্গি ভাটের পরিবারে আরও দুই আত্মীয় এর আগে জঙ্গি গোষ্ঠীতে নাম লিখিয়েছিল। ১৯৯০-তে মৃত্যু হয়েছিল তাদের। এমনকি, আঠারো বছর বয়সে একবার পাকিস্তানে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল জঙ্গি মহম্মদ রফি ভাট। তবে সে যাত্রায় পুলিশের জালে ধরা পড়ে গিয়েছিল সে। তবে এবার আর শেষ রক্ষা হয়নি, রবিবার সকালে সোপিয়ানে সেনার গুলিতে খতম হয়েছে এই হিজবুল জঙ্গি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.