সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে আরও তীব্র মাদকবিরোধী অভিযান। পাচারকারীদের সমূলে শেষ করতে লাগাতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে দেশের আটটি জেলায় চলা সমান্তরাল অভিযানে নিকেশ হয় দশ মাদক পাচারকারী।
[বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনে স্মৃতিকাতর হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর নামে ভবন গড়ার প্রস্তাব মমতার]
জানা গিয়েছে, এদিন রাতে রাজধানী ঢাকা-সহ আটটি জেলায় অভিযান চালায় ‘ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন’ বা ব়্যাব। গোপন খবরের ভিত্তিতে, সাতক্ষীরা, কুমিল্লা, শেরপুর, কক্সবাজার ও মহেশখালীতে পাচাকারীদের ডেরায় হানা দেয় ব়্যাব। গুলিযুদ্ধে সব মিলিয়ে খতম হয় দশজন পাচারকারী। যদিও এই এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মানবাধিকার সংগঠন ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। মাদক পাচার নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও সরকার যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তা মেনে নেওয়া যায় না। এমনটাই দাবি উঠে এসেছে বিভিন্ন মহলে। এই নিয়ে গত সাতদিনে মোট ৫৫ জন মাদক কারবারীকে খতম করা হল।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে বাংলাদেশের ফেনী, মাগুরা, কুমিল্লা, আখাউড়া ও নারায়ণগঞ্জে মাদক পাচারকারীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। তখনও মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে তাদের গুলি বিনিময় হয়। পুলিশের ছোড়া গুলিতে খতম হয় নয় পাচারকারী। পুলিশ সূত্রে খবর, নিহতরা সবাই মাদকের চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত। কারও কারও বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে একাধিক মামলাও রয়েছে। তাদের বাগে আনতেই গুলিযুদ্ধ শুরু করেছিল পুলিশ। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় মাদকচক্রের কারবারীরা গুলি চালায়। পালটা গুলি বর্ষণ করে পুলিশও। দুই পক্ষের গোলাগুলিতেই মাদক পাচারকারীদের মৃত্যু ঘটে।
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সন্ত্রাসবাদ ও মাদকের ব্যবসা মেনে নেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। সেই মতো দেশজুড়ে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন তিনি। একের পর এক এনকাউন্টারে বাংলাদেশে কোমর ভেঙেছে জেহাদিদের। এবার পালা মাদক পাচারকারীদের। যুব প্রজন্মের মধ্যে যারা ইয়াবার মতো মাদকের বিষ ছড়িয়ে দিচ্ছে তাদের রেহাই দেওয়া হবে না বলেও সাফ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
[১৫ বছরের কিশোরকে লাগাতার যৌন নিগ্রহ, গ্রেপ্তার শিক্ষিকা]