সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সত্যি কি মঙ্গলে প্রাণ আছে? অচিরেই সে রহস্য ভেদ করতে ফেলবে নাসার মহাকাশ যান। লালগ্রহে প্রাণের সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাঠিয়েছে সে। কিছুদিন আগেই মঙ্গলে জলের অস্তিত্বের প্রমাণ সংগ্রহ করেছিল মহাকাশ যানটি। এবার ‘ক্লু’ দিল প্রাণের সম্ভাবনারও।
[ফের মহাকাশ অভিযানের প্রস্তুতি বাংলাদেশে, এবার পাড়ি দেবে ‘বঙ্গবন্ধু-২’ ]
মঙ্গলগ্রহকে নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের শেষ নেই। বিশেষ করে, এই লালগ্রহে মানুষের বসতি গড়ে তোলা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে চলছে নিরন্তর গবেষণা। সেই গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে মঙ্গলগ্রহে মহাকাশ যান পাঠিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। মহাকাশযানটির নাম কিউরিওসিটি। গত ছ’বছর ধরে মহাকাশযানটি ঘুরে বেড়াচ্ছে মঙ্গলের মাটিতে। নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলের একটি ‘লেক বেড’(হ্রদ ছিল এমন জায়গা)-এ তিনশো কোটি বছরের পুরনো একটি পাললিক শিলা সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই শিলায় রয়েছে অরগ্যানিক মলিকিউল বা জৈবিক অণু। এই ঘটনা এলিয়েনদের নিয়ে রহস্যভেদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারেন মহাকাশ বিজ্ঞানীদের।
ঠিক কী রয়েছে ওই পাললিক শিলায়? জার্নাল সায়েন্স পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওই পাললিক শিলায় কার্বন আর হাইড্রোজেনের উপস্থিতির স্পষ্ট। তাই মঙ্গলগ্রহের ওই শিলায় যে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও অন্যন্য জৈব অণুরও সন্ধান পাওয়া যাবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই বিজ্ঞানীদের। আর বিজ্ঞানীদের অনুমান যদি সত্যি হয়, তাহলে কোটি কোটি বছর আগে লালগ্রহের প্রাণের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা আরও জোরালো হবে। বস্তুত, মঙ্গলগ্রহের ওই প্রাচীন লেকে মিথেন গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে মহাকাশযান কিউরিওসিটি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের উৎস উদ্ভিদ ও প্রাণী।তাই অস্তিত্ব না পাওয়া গেলেও, প্রাণের তৈরির সমস্ত উপাদানই বিদ্যমান ওই শিলায়। বিজ্ঞানীদের আশা, কোটি কোটি বছর আগে হয়তো প্রাণ ছিল লালগ্রহেও। মঙ্গলগ্রহের বর্তমান পরিবেশ অবশ্য প্রাণের উপযুক্ত নয়।
[পাকিস্তানের ভোটে লড়ছেন শাহরুখের বোন, দাঁড়ালেন নির্দল প্রার্থী হিসেবে]
এদিকে মঙ্গলগ্রহে যখন প্রাণের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা জোরালো হওয়ার ইঙ্গিত পাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা, তখন মহাকাশে একটি নতুন গ্রহ আবিষ্কার করল ভারত। ইসরো জানিয়েছে, ‘সুপার-নেপচুন’ তথা ‘সাব-স্যাটার্ন’ গোত্রের এই গ্রহের ব্যাসার্ধ পৃথিবীর তুলনায় ছয় গুণ। পৃথিবী যেমন সূর্যকে কেন্দ্রে রেখে তার চারপাশে প্রদক্ষিণ করে, তেমনই এই গ্রহটিরও নিজস্ব ‘সূর্য’ আছে। তবে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে এর সময় লাগে ১৯.৫ দিন।
[কেমন হয় দেহব্যবসায়ীদের জীবন? আজব কিছু অভিজ্ঞতার কথা জানালেন পতিতা]