ইংল্যান্ড- ৬ (হ্যারি কেন (হ্যাটট্রিক), স্টোনস ২, লিনগার্ড)
পানামা- ১ (বালোয়)
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোলের বন্যা রাশিয়া বিশ্বকাপে। শনিবার বেলজিয়ামের গোলের বন্যায় ভেসেছিল তিউনিশিয়া। রবিবার পানামাকে গোলের মালা পরিয়ে নক-আউটে চলে গেল ইংল্যান্ড। ফুটবলের জনক ব্রিটিশদের কাছে ৬-১ গোলে হারল বিশ্বকাপে নবাগত দেশ পানামা। ‘হারিকেন’ হ্যারি কেনের হ্যাটট্রিকে ভর করে মাঠ শাসন করল ইংরেজ ফুটবলাররা। হ্যাটট্রিকের সুবাদে চলতি বিশ্বকাপে রোনাল্ডো, লুকাকুকে পিছনে ফেলে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন কেন। তাঁর গোলসংখ্যা ৫। মাত্র দু’ম্যাচেই বিরল কৃতিত্ব কেনের। একইসঙ্গে তৃতীয় ব্রিটিশ ফুটবলার হিসাবে বিশ্বকাপের মঞ্চে হ্যাটট্রিক করলেন তিনি।
[সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে ফের ‘নোংরা কাজ’! নেটদুনিয়ায় ভাইরাল জার্মান কোচের কীর্তি]
আধিপত্য রেখে এদিন গোটা ম্যাচ খেলল ইংল্যান্ড। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা পানামা অঘটন ঘটাবে তা অতি বড় ফুটবল বিশেষজ্ঞও ভবিষ্যদ্বাণী করেননি। প্রত্যাশামতোই দাপটের সঙ্গে খেলেন এদিন কেন, লিনগার্ডরা। প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটের মধ্যেই ৫ গোল খেয়ে যায় পানামা। ছন্নছাড়া ডিপেন্স, দিশাহীন মাঝমাঠ নিয়ে বিশেষ কিছু প্রত্যাশা করা উচিত নয়। তা করেওনি তাঁদের সমর্থকরা। কিন্তু ন্যূনতম প্রতিরোধটুকু গড়ে তুলতে এদিন ব্যর্থ হন রডরিগেজরা। তাই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে শুধু একের পর এক গোল জালে জড়িয়ে গিয়েছেন ইংরেজরা। একটি পেনাল্টি-সহ হ্যারি কেনের হ্যাটট্রিক, স্টোনসের জোড়া এবং লিনগার্ডের একটি গোলের সুবাদে অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছিল ব্রিটিশদের। আগের ম্যাচে তিউনিশিয়াকে একইভাবে মাটি ধরিয়ে ছিলেন তাঁরা। এদিন যেন গোলখিদে বেড়ে গিয়েছিল তাঁদের। দ্বিতীয়ার্ধে তিন নম্বর গোলটি করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন কেন। চলতি বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর এটি দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক।
[রাশিয়ায় গিয়ে বিশ্বকাপের খেলা দেখতে চান, জানেন কত খরচ পড়বে?]
দ্বিতীয়ার্ধে সম্মান পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন পানামার ফুটবলাররা। আক্রমণে লোক বাড়িয়ে লাভও মেলে। দলের প্রবীণতম ফুটবলার বালোয়ের সুবাদে বিশ্বকাপে প্রথম গোল করে পানামা। তাতেই তাদের সমর্থকরা উচ্ছ্বসিত। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে একটি গোলই তাদের অনেক গর্ব এনে দিয়েছে। তা ম্যাচের ফলাফল যাই হোক না কেন। অন্যদিকে, বিশ্বকাপের দুই কালো ঘোড়া বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ডের ফর্ম দেখে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন ফেভরিট দলের কোচ-ফুটবলাররা।