সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহিলাদের যৌন নির্যাতনের ঘটনা আজকাল প্রায়শই ঘটছে। কিন্তু এবার সেই যৌন নির্যাতনকারীদের তালিকায় নাম উঠে গেল একটি চার্চের পাঁচ ধর্মযাজকের নাম। ব্ল্যাকমেল করে দিনের পর দিন এক মহিলাকে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ উঠল ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচ ধর্মযাজককে সাসপেন্ড করল কেরলের একটি চার্চ।
নির্যাতিতা ওই মহিলার স্বামী কেরলের মালাঙ্করার একটি চার্চের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ জানান। তাঁর অভিযোগ ছিল, তাঁর স্ত্রীকে দিনের পর দিন যৌন নিগ্রহ করেছে চার্চের এক ধর্মযাজক। তাঁর স্ত্রী নিজে একথা স্বীকার করেছেন। এমনকী বিষয়টি কাউকে যাতে না বলা হয়, তার জন্য ওই মহিলাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন ওই মহিলার স্বামী। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পাঁচ ধর্মযাজককে সাসপেন্ড করা হয়।
[ ঝাড়খণ্ড গণধর্ষণের নেপথ্যে মিশনারি স্কুলের ফাদার, তদন্তে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য ]
চার্চের মুখপাত্র জানিয়েছেন, একথা ঠিক যে চার্চের পাঁচ ধর্মযাজককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু তাদের নাম জানাতে অস্বীকার করেন তিনি। চার্চ সূত্রে এও জানা গিয়েছে, ওই পাঁচ জন ধর্মযাজকের মধ্যে তিনজন তিরুভাল্লার নিরানাম ডিওসেসের বাসিন্দা। বাকি দু’জন দিল্লির পান্ডালামের বাসিন্দা। ঘটনায় পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
[ নারীসুরক্ষায় আফগানিস্তান-সিরিয়ার থেকেও পিছিয়ে ভারত, দাবি সমীক্ষায় ]
একটি অডিও ক্লিপে অভিযোগকারী ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর কথা বলেছেন। সেটি কিছুদিন আগে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে তিনি বলেন, তাঁর স্ত্রীকে বিয়ের আগে এক ধর্মযাজক যৌন নির্যাতন করত। বিয়ের পরও তা বন্ধ হয়নি। বরং উত্তরোত্তর তা বাড়তে থাকে। তাঁর স্ত্রী একথা অন্য এক ধর্মযাজককে জানান। সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে সেও সেই একই কাজ করতে শুরু করে। এরপর সেই দ্বিতীয় ধর্মযাজক কথাটি আরও তিনজনকে বলে। এরপর থেকে ওই পাঁচজন মিলে মহিলার উপর যৌন নির্যাতন শুরু করে।
চার্চের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি পুরোনো। তবে যা অভিযোগ উঠেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশকে ঘটনার তদন্ত করতে আবেদন জানানো হয়েছে।