সোমনাথ পাল, বনগাঁ: পাড়ারই এক মহিলার সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্ক৷ প্রেমিকা ও তাঁর স্বামী টাকা আদায়ের জন্য চাপ দিতেন বলে অভিযোগ৷ শেষপর্যন্ত গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করলেন উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার এক যুবক৷ বাড়ির কাছে একটি গাছ থেকে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল পুলিশ৷ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ৷
[ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বধূকে খুনের চেষ্টা, রণক্ষেত্র আলিপুরদুয়ার]
মৃতের নাম বিকাশ মণ্ডল৷ বাড়ি গাইঘাটার ঠাকুরনগরের বড়াগ্রামে৷ কলকাতায় শ্রমিকের কাজ করতেন বিকাশ৷ তাঁর প্রতিবেশী রীনা দাস৷ তিনি বিবাহিত৷ এক সন্তানের মা৷ স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রীনার সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্ক ছিল বিকাশের৷ রীনা ও বিকাশের সম্পর্কের কথা জানতেন দুই পরিবারের লোকেরাও৷ রোজগারের বেশিরভাগটাই প্রেমিকার হাতেই তুলে দিতেন বিকাশ৷ কিন্তু, তারপরেও টাকা আদায়ের জন্য তাঁর উপর রীনা ও তাঁর স্বামী শেখর চাপ দিতেন বলে অভিযোগ৷ বিষয়টি জানত ওই দম্পতির ছেলে বান্টিও৷
মৃতের পরিবারে লোকেরা বক্তব্য, বুধবার রাতে স্বামীকে নিয়ে তাঁদের বাড়িতে গিয়েছিলেন রীনা৷ টাকার জন্য ফের দু’জনে মিলে বিকাশকে চাপ দেন৷ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে ঘরে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুজি করতে শুরু করেন বাড়ির লোকেরা৷ কিছুক্ষণের পর বাড়ির কাছে একটি গাছে বিকাশ মণ্ডলের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান তাঁরা৷ পরিবারের অভিযোগ, বিকাশকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন রীনা ও তাঁর স্বামী৷ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে গাইঘাটা থানার পুলিশ৷ গ্রেপ্তার করা হয়েছে রীনা দাসের স্বামী শেখর, ছেলে বান্টি ও এক আত্মীয়কে৷
[উত্তরবঙ্গে লাগাতার বৃষ্টিতে বিপন্ন বন্যজন্তুরা, লোকালয়ে ঢুকে পড়ল হাতি ও অজগর]