Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

টানা ৭ মাস ধরে ছাত্রীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল-সহ ৩ শিক্ষক ও ১৫ ছাত্র

লজ্জা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৮, ১০:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৮, ১০:১৯

options
link
টানা ৭ মাস ধরে ছাত্রীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল-সহ ৩ শিক্ষক ও ১৫ ছাত্র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানা সাত মাস ধরে  এক স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল  ১৮ জনের বিরুদ্ধে৷ পুলিশকে বছর ১৩-র ওই মেয়েটি জানিয়েছে, সহ্য করতে না পেরেই অবশেষে মুখ খুলেছে সে৷ অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন তাকে লালসার শিকার করেছে তাঁরই স্কুলের প্রধান শিক্ষক-সহ আরও দুই শিক্ষক ও ১৫ জন ছাত্র৷

[তৃণমূল নাকি বাম কারা যোগ্য জোটসঙ্গী? প্রদেশ নেতাদের মন পড়লেন রাহুল]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘটনাটি, বিহারের ছাপরা জেলার পারসগড়ের৷ পুলিশকে দেওয়া বয়ানে নির্যাতিতা জানিয়েছে, তাঁর উপর প্রথম অত্যাচার শুরু হয় গত বছরের ডিসেম্বরে৷ তখন বাড়ির একমাত্র অভিভাবক, অর্থাৎ তাঁর বাবা ছিল না৷ কোনও একটি কারণে তাঁর বাবার জেলে হয়ে যায়৷ আর সেই সুযোগেই এই কাজ করতে শুরু করে অভিযুক্তরা৷ মেয়েটির জানায়, প্রথমে স্কুলেই তার উপরে অত্যাচার চালায় স্কুলের একজন সিনিয়র ছাত্র৷ পরে, তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয় আরও চার থেকে পাঁচ জন৷ ধীরে ধীরে সংখ্যাটা ১৫ জনে পৌঁছে যায়৷ এখানেই শেষ নয় ছাত্রীটি জানায়, একই ভাবে স্কুলের প্রধান শিক্ষক-সহ আরও দুই শিক্ষকের লালসার শিকার হতে হয় তাঁকে৷ প্রত্যেকেই তাঁকে ভয় দেখিয়ে রাখত৷ মুখ খুললেই প্রাণনাশের হুমকি মিলত৷

[খ্রিস্টানদের নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য, বিতর্কে বিজেপি সাংসদ]

নির্যাতিতার বক্তব্য, কার্যত ভয়ে কুঁকড়ে গিয়েছিল সে৷ এমন সময় জেলের সাজা শেষ করে কয়েকদিন আগেই মুক্তি পায় তার বাবা৷ বাবাকে কাছে পেয়ে নিজের মনের কথা উগড়ে দেয় সে৷ বাবার বক্তব্য, মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অমানবিক অত্যাচার সহ্য করতে পারেনি সে৷ গতকালই তিনিই মেয়েকে নিয়ে স্থানীয় একমা থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন৷ সেখানে অভিযোগ দায়ের করেন৷ বয়ানে মোট ১৮ জন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করে নির্যাতিতা৷ পুলিশ জানিয়েছে, এমন ভয়াবহ ঘটনার অভিযোগ আসায় প্রথমে একটু অবাক হলেও প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে তদন্ত৷ ইতিমধ্যেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক-সহ আরও এক শিক্ষক ও দু’জন ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ বাকিদের খোঁজে তদন্ত চলছে৷ পুলিশই অভিযোগের পাশাপাশি, নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.