Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘৩০০ ম্যাচ খেলেছি, আমাকে কি পাগল মনে হয়?’ কেন মেজাজ হারিয়েছিলেন ধোনি?

কুলদীপের উপর কেন রেগে গিয়েছিলেন, জানেন ঘটনাটা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৮:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৮:০৪

options
link
‘৩০০ ম্যাচ খেলেছি, আমাকে কি পাগল মনে হয়?’ কেন মেজাজ হারিয়েছিলেন ধোনি? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি ক্যাপ্টেন কুল। ভারতীয় ক্রিকেটে ইস্পাতকঠিন অথচ হিমশীতল স্নায়ুর অধিকারী যদি কেউ হন, তবে তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনি। সচরাচর মাঠে মেজাজ হারান না। জয়ে বেশি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন না। পরাজয়ে ভেঙে পড়েন না। বরং মাঠে ফিরে এসে প্রত্যাঘাত করেন। এই ধোনিও কিন্তু রেগে যেতে পারেন। এবং রেগে গিয়েওছিলেন। সম্প্রতি এরকম একটা ঘটনার কথাই ফাঁস করলেন ভারতীয় স্পিনার কুলদীপ যাদব।

[  ‘হিরো’ থাইল্যান্ডের খুদে ফুটবলাররাই, সেমিফাইনালের জয় উৎসর্গ পোগবার ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘটনা আজকের নয়। গত বছর ইন্দোরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলছিল ভারত। সেবার কোহলির অনুপস্থিতিতে অধিনায়কত্ব করছিলেন রোহিত শর্মা। ধোনি বহুদিন হল অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন। তবে এখনও দলের যে কোনও সিদ্ধান্তে ভীষ্ম তিনিই। এমনকী কোহলিকেও দেখা যায় কোনও সিদ্ধান্ত নিতে গেলে ধোনির দিকেই তাকিয়ে থাকেন। কখনও তো কোহলির আগেই থার্ড আম্পায়ার কলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন ধোনি। দেশকে বিশ্বকাপ দেওয়া অধিনায়ককে এভাবেই সম্মান জানায় ভারতীয় দল। তো ইন্দোরে ওই ম্যাচ চলাকালীন মার খাচ্ছিলেন কুলদীপ। বলে বলে ছয় মারছিল ব্যাটসম্যান। কুলদীপ অসহায়ভাবে ধোনির দিকেই তাকাচ্ছিলেন। ধোনি তাঁকে সাহস দিয়ে বলেন, কোনও ব্যাপার নয়, বল আর একটু ফুল লেংথে ফেললেই হবে। পরের ওভারে সেই বল করলে আবার রিভার্স সুইপে চার মারেন ব্যাটসম্যান। কুলদীপ তো আতান্তরে পড়ে যান। সেই সময় ধোনি বলেন, ফিল্ডিংটা অন্যরকম করতে। বলেন, কভার তুলে দিয়ে একজন ফিল্ডারকে ডিপে রাখতে। আর পয়েন্টকে একটু উপরে তুলে আনতে। তা শুনে কুলদীপ বলেন, যা ফিল্ডিং আছে, তাই-ই ঠিক আছে। তিনি স্বচ্ছন্দে বল করতে পারবেন। এতেই মেজাজ হারান ধোনি। বলেন, ৩০০টা ম্যাচ খেলছি, আমাকে কি পাগল মনে হয়? অর্থাৎ এমনি এমনি যে ফিল্ডিং পরিবর্তনের কথা বলছেন না, তা বুঝিয়ে দেন। যাই হোক ধোনির ইচ্ছেমতো সাজানো হয় ফিল্ড। এবং তারপর উইকেটও পান কুলদীপ।

[  বিদায়বেলায় চিঠি লিখে আবেগে ভাসলেন জুভেন্তাসের রোনাল্ডো ]

আজ ভারতীয় বোলিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ এই স্পিনার। তবে এই সাফল্যের দিনেও ধোনির শাসন ভোলেননি তিনি। সমক্ষে বলতেও কসুর করেন না। আসলে কথা বলে, শাসন করা তাহার সাজে সোহাগ করে যে সবার মাঝে। সমস্ত তরুণ খেলোয়াড়রা আজও যে ধোনিকে সম্মান করেন তা এই কারণেই।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.