Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

অবসরের দিনেও কাইফের মুখে লর্ডসের স্মৃতি, বিদায়বেলায় নস্ট্যালজিক ক্রিকেটমহল

দেশের হয়ে আরও খেলতে পারতেন কাইফ, আক্ষেপ হরভজনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৫:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৫:০১

options
link
অবসরের দিনেও কাইফের মুখে লর্ডসের স্মৃতি, বিদায়বেলায় নস্ট্যালজিক ক্রিকেটমহল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের হয়ে খেলেছেন মোটে ১৩টি টেস্ট এবং ১২৫টি ওয়ান ডে। ব্যাটিং গড় বা রানসংখ্যাও বিরাট কিছু আহামরি নয়। কিন্তু সামান্য পরিসংখ্যানে ভারতীয় ক্রিকেটে মহম্মদ কাইফের অবদান বর্ণনা করা সম্ভব নয়। দক্ষতা, নৈপুণ্যের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও যেভাবে লড়াকু আর নাছোড় মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন মহম্মদ কাইফ তা অনেকদিন মনে রাখবে ভারতীয় ক্রিকেটমহল। বিশেষ করে মনে রাখবে ২০০২ ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে তাঁর ৮৭ রানের ইনিংস। মনে রাখবে তাঁর অনবদ্য ফিল্ডিংয়ের জন্য।

[দাদার স্মৃতি ফেরাতে লর্ডসে আজই সিরিজ জিততে চান বিরাটরা]

মহম্মদ কাইফের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শুরু থেকে শেষ সবটাই হয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অধিনায়কত্বে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ক্রিকেটজীবনের সবচেয়ে আইকনিক মোমেন্ট যদি লর্ডসের ব্যালকনিতে জামা খুলে দাদাগিরি করা হয়, তাহলে কাইফের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে স্মরণীয় ইনিংসও লর্ডসের সেই ম্যাচই। কাইফ না থাকলে হয়তো সেদিনের সেই দাদাগিরির সাক্ষী থাকতে পারত না ক্রিকেট বিশ্ব। কারণ ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ইংল্যান্ডের দেওয়া ৩২৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে ৫ উইকেট খুঁইয়ে ভারত যখন রীতিমতো বিপাকে। তখন যুবরাজের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছিলেন কাইফ। যুবরাজ আউট হওয়ার পর কার্যত একার হাতে ফাইনালে ভারতে জিতিয়ে আনেন। এরপরই লর্ডসের ব্যালকনিতে সৌরভের জার্সি খোলা। যা বাঙালির হৃদয়ে চিরন্তন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ভাল ইংরেজি বলতে পারেন না সোনার মেয়ে হিমা, ফেডারেশনের টুইট ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক]

ম্যাচটি ছিল ১৩ জুলাই ২০০২, ঠিক ১৬ বছর পরে অর্থাৎ ১৩ জুলাই ২০১৮। সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন কাইফ। বিদায় জানানোর মুহূর্তেও লর্ডসের সেই ইনিংসকেই মনে করালেন প্রাক্তন মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান। বিসিসিআইকে লেখা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “লর্ডসের সেই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পেরে আমি আজও গর্বিত।”শুধু লর্ডসের সেই ইনিংসই নয়। কাইফকে ভারতীয় ক্রিকেট মনে রাখবে ২০০২ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত শতরানের জন্য। মনে রাখবে যুবরাজ সিংয়ের সঙ্গে তাঁর একাধিক ম্যাচ উইনিং পার্টনারশিপের জন্য। মনে রাখবে তাঁর অসাধারণ ফিল্ডিং দক্ষতার জন্য। একসময় স্রেফ ফিল্ডিংয়ের জন্য প্রচুর ভারতীয়র আইকন হয়ে উঠেছিলেন উত্তরপ্রদেশের ক্রিকেটার। সমসাময়িক সবচেয়ে ফিট ক্রিকেটারদের মধ্যে একজন ছিলেন কাইফ। দীর্ঘদিন রনজি ট্রফিতে উত্তরপ্রদেশের অধিনায়কত্ব করেছেন, সর্বশেষ খেলেছেন ছত্তিশগড়ের হয়ে। আপাতত ধারাভাষ্যকার এবং ক্রিকেট সমালোচক হিসেবে কাজ করবেন লর্ডসের সেদিনের নায়ক।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.