সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পড়ুয়াদের আমরণ অনশনে পিছু হটেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, কলেজ কাউন্সিলের বৈঠকের পরও অচলাবস্থা কাটল না কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। বরং মঙ্গলবার পড়ুয়াদের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে প্রতীকী অনশনে যোগ দিলেন ২০ জন প্রাক্তনী। এদিকে আবার সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়লেন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ উচ্ছল ভদ্র। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে আন্দোলনকারীরা বাধা দেয় বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত পুলিশি ঘেরাটোপে অধ্যক্ষ নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। এখন তিনি আইসিইউতি ভরতি বলে জানা গিয়েছে।
[সাত দিনের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শিশু উদ্ধার, ধৃত দুই পাচারকারী]
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে হস্টেল বেহাল। কার্যত প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে থাকতে হয় তাঁদের। তেমনই অভিযোগ ডাক্তারির ছাত্রদের। নতুন ভবনে ঘরের দাবিতে সাতদিন ধরে অনশন করছেন তাঁরা। দু’বার ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করে অনশন প্রত্যাহারের দাবি করেছেন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ উচ্ছল ভদ্র। কিন্তু, আন্দোলনকারীদের টলানো যায়নি। এদিকে অনশন করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বেশ কয়েকজন। উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের ভিড় বাড়ছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।
ছাত্রদের হস্টেলের সমস্যা মেটাতে মঙ্গলবার বৈঠকে বসে মেডিক্যাল কলেজ কাউন্সিল। বৈঠকের পর ২৭৬ জন পড়ুয়ার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। মেডিক্যাল কলেজে অধ্যক্ষ উচ্ছল ভদ্র জানান, নতুন ভবনে ঘর দেওয়া হবে ওই পড়ুয়াদের। কিন্তু, এই ঘোষণার পর আন্দোলনকারীদের ক্ষোভ আরও বাড়ে। অধ্যক্ষের ঘরে যখন সাংবাদিক বৈঠক চলছে, তখন ঘরের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন পড়ুয়ারা। সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীন আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ উচ্ছল ভদ্র। কিন্তু, ডাক্তারির ছাত্রেরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত পুলিশি ঘেরাটোপে অসুস্থ অধ্যক্ষকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। তিনি আইসিইউতে ভরতি বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, মেডিক্যাল কলেজে অনশনরত পড়ুয়াদের সঙ্গে দাঁড়িয়েছে প্রাক্তনীরাও। মঙ্গলবার প্রতীকী অনশন শুরু করেছেন ২০ জন।
[স্নাতকে ভরতির সময়সীমা বাড়ল, ২০ আগস্ট পর্যন্ত ভরতি হতে পারবেন পড়ুয়ারা]