সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অমিত শাহের ছেলে জয় শাহের পর এবার আরেক বিজেপি নেতার ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। গুরগাঁওয়ের একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থা আইআরইও-র বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার কোটির জালিয়াতির মামলা করেছে একাধিক বিদেশি সংস্থা। কিন্তু এখনও কোনও সরকারি এজেন্সি এই সংস্থাটির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেনি। এর পিছনে রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ সংস্থাগুলির।
[ধর্ষণের পর ফেসবুকে নির্যাতিতাকে হেনস্তা, গ্রেপ্তার বিজেপি কাউন্সিলর]
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গত পাঁচ মাস ধরে বিশ্বের একাধিক প্রথম সারির লগ্নিকারি সংস্থা এই সংস্থাটিতে টাকা ঢেলেছে। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন সংস্থা অক্সন ক্যাপিটল এবং টাইগার পার্টনার্স। সংস্থাটিকে বরাত দিয়েছিল স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নটরে ডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশ্বখ্যাত সংস্থাগুলিও। এদের প্রত্যেকেই ‘ইয়েরো’-র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। এদের দাবি, সংস্থাটি তাদের কাছে টাকা নিয়েও পরিবর্তে কাজ করেনি। এখন টাকা ফেরতও দিচ্ছে না সংস্থাটি। ‘ইয়েরো’-র বিরুদ্ধে সিবিআই, ইডির মতো শীর্ষ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও পাঁচ মাসের মধ্যে কোনও পদক্ষেপই করেনি সংস্থাগুলি।
[আলোয়ার গণপিটুনি ইস্যুতে সংসদে হট্টগোল, মুলতুবি রাজ্যসভার অধিবেশন]
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমটির দাবি, যে যে তদন্তকারী সংস্থায় ‘ইয়েরো’-র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে সবকটি সংস্থাতেই তারা যোগাযোগ করেছিল।এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছিল, যোগাযোগ করা হয়েছিল হরিয়ানার আবগারি দপ্তরেও। কিন্তু কোনও দপ্তর থেকেই এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও উত্তর মেলেনি। এমনকি হরিয়ানা শহর পুলিশের ডেপুটি কমিশনারও এ বিষয়ে মন্তব্য করেননি। সংস্থাটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ললিত গোয়েল স্থানীয় প্রভাবশালী বিজেপি নেতা শুধাংশু মিত্তলের শ্যালক। তাঁর সঙ্গে রীতিমতো শাসকদলের নেতামন্ত্রীদেরও যোগাযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক যোগ থাকার দরুনই পার পেয়ে যাচ্ছেন গোয়েল। শাসক দলের চাপেই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না তদন্তকারী সংস্থাগুলি। গোয়েল নিজে অবশ্য বলছেন, তাঁর পিছনে কোনও শীর্ষ রাজনৈতিক দলের যোগায়োগ নেই। তবে, জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি গোয়েল।