সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডলারের তুলনায় ক্রমাগত কমছে টাকার দাম। গত ১৯ জুলাই আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের তুলনায় টাকার দাম ছিল সর্বকালের সর্বনিম্ন। ওইদিন এক ডলারের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রাটির দাম ছিল ৬৯.১ টাকা। শুধু ১৯ জুলাই নয়, নোট বাতিলের পর থেকেই ক্রমাগত টাকার দাম কমছে ডলারের তুলনায়। এই মুহূর্তে এশিয়ার সবচেয়ে নিম্নমানের মুদ্রার তালিকায় এক্কেবারে প্রথমের সারিতে টাকা। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে আন্তর্জাতিক স্তরের বাণিজ্যিক শুল্কের লড়াই। আমেরিকা, চিন এবং ইউরোপীয় দেশগুলির এই বাণিজ্য শুল্কের লড়াইয়ের মধ্যে বিপাকে পড়েছে ভারতীয় বহুজাতিক সংস্থাগুলি।
[মুসলিম গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া, গণপিটুনিতে মৃত্যু দলিত যুবকের]
ক্রমাগত টাকার মূল্য কমা, এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাণিজ্য শুল্ক বৃদ্ধির ফলে ভারতীয় বহুজাতিক সংস্থাগুলি উৎপাদনমূল্যে এবং বিক্রয়মূল্যের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। বিদেশ থেকে স্পেয়ার পার্টস আমদানি করতে বেশি মূল্য দিতে হচ্ছে, দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত শুল্কও। অথচ, টাকার দাম কমলেও একই রয়ে গিয়েছে বিক্রয় মূল্য। ফলে ক্রমাগত মুনাফা কমছে সংস্থাগুলির। ফলে ভারতীয় গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি ছোটগাড়ির দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী খুব শীঘ্রই সমস্তরকম গাড়ির দাম বাড়াতে চলেছে ভারতের সর্ববৃহৎ গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা মারুতি সুজুকি। সংস্থার এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, “ ক্রমাগত টাকার দাম কমায় আমরা সমস্যায় পড়ছি, আমাদের হয়তো দাম পরিবর্তন করতে হবে।” একা সুজুকি নয় অন্য গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিও একই পথে হাঁটছে। বেশিরভাগ গাড়ি প্রস্তুকারী সংস্থা অধিকাংশ স্পেয়ার পার্টস এদেশ থেকেই কেনে, তবে কিছু জিনিসের জন্য তাদের বিদেশি সংস্থাগুলির উপর নির্ভর করতে হয়।
[গোমাংস পরিহার করুক মুসলিমরা, আবেদন শিয়া ওয়াকফ বোর্ড প্রধানের]
গাড়ির পাশাপাশি অন্য পণ্য প্রস্তুতকারক একাধিক বহুজাতিক সংস্থাও দাম বাড়ানোর পথে হাঁটতে চলেছে। ইতিমধ্যেই একাধিক টেলিভিশন প্রস্তুতকারক সংস্থা দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে নিয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে প্যানাসনিক, সোনির মতো টেলিভিশন প্রস্তুতকারক সংস্থা। আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বাজারে টিভির দাম বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন শুধু টিভি বা গাড়ি নয়, আগামী দিনে বেশিরভাগ বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশের দামই বাড়তে চলেছে।