সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝিরি ঝিরি বৃষ্টিতে শহরের রাস্তার কথা চিন্তা করলেই মন খারাপ হয়ে যায়। এখন সবটুকু মনোযোগ তো শুধু রুপোলী ফসলের দিকেই। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন, ইলিশ। ইলিশেই পড়ে মন। তা অনেক তো হল ভাপা, সর্ষে, ঘণ্ট, পাতুড়ি, পোলাও নতুন কিছু চমক নিয়ে যদি ইলিশ রানি পাতে আসে মন্দ কি। ঝিম ধরা বৃষ্টিতে মনকে আরাম দিতে আজকের পাতে রইল পালং ইলিশ। দেখে নেওয়া যাক কীভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে প্লেটে এল ইলিশ রানি। এই রান্না করতে হলে কিন্তু হলুদে রাঙা ইলিশকে ভুলে যেতে হবে।
[রথে মিষ্টিমুখ, খাজা থেকে ক্ষীর বানান বাড়িতেই]
উপকরণ
ইলিশ নিয়ে যখন নতুন রান্নার চেষ্টা তখন তো খাদ্যরসিক বলতেই হয়। তাই বড় সাইজের ইলিশের টুকরো দিয়েই হোক রান্না। সঙ্গে পালং শাক, ধনেপাতা, কাঁচা লঙ্কা, টকদই, পিঁয়াজ, লবন ও সর্ষের তেল। ইলিশের পরিমাণের উপরেই নির্ভর করবে অন্যান্য উপকরণের পরিমাণ।
প্রণালী
প্রথমে ফ্রাইংপ্যানে সর্ষের তেল দিয়ে মাছের টুকরোগুলি হালকা ভেজে নিন। অন্যদিকে আলাদা করে রাখা পালংশাক ভাল করে কুচিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর সিদ্ধ পালংশাক, ধনেপাতা ও কাঁচালঙ্কাকে এক সঙ্গে মিক্সিতে পেস্ট করে নিন। এদিকে ততক্ষণে মাছ ভাজা হয়ে গিয়েচে। প্যানে থাকা অবশিষ্ট তেলে অল্প পিঁয়াজ কুচি ও কাঁচা লঙ্কা কুচি হালকা করে ভেজে নিন। পেয়াঁজে লাল রং ধরলেই ধনেপাতা, পালংশাকের পেস্টটা দিয়ে দিন। ভাজা পেঁয়াজের সঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে নিয়ে নাড়তে থাকুন। যতক্ষণ না পেস্ট ও তেলের সঙ্গে মিশে গিয়ে সুন্দর গন্ধ বেরোচ্ছে। পেস্ট থেকে তেল বের হলেই টকদইটা ঢেলে দিন। রান্নার উপকরণের সঙ্গে টকদই মিশে গেলেই ভেজে রাখা ইলিশের টুকরোগুলিকে প্যানে ছেড়ে দিন। এরপর ঢাকা দিয়ে গ্যাস সিম করে রান্না হতে দিন। মিনিট পাঁচেক পর রান্না থেকে তেল ছাড়তে শুরু করবে। তখন উপর থেকে সর্ষের তেল ছড়িয়ে গ্যাস বন্ধ করুন। তৈরি সুন্দরী পালং ইলিশ। এরপর ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের সঙ্গে খাবার টেবিলে পরিবেশন করুন। দেখবেন মনমরা দুপুর কখন যেন খুশিতে ডগমগ করছে।
[সপ্তাহান্তে আমের অন্য স্বাদে মাতুন, রইল টক-মিষ্টি তিন রেসিপি]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন