সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের পর্দায় আসছে চলেছে সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জুটি। ‘অটোগ্রাফ’, ‘বাইশে শ্রাবণ’, ‘মিশর রহস্য’, ‘জাতিস্মর’, ‘জুলফিকার’ ও ‘ইয়েতি অভিযান’-এর পর এই জুটির এটি সপ্তম ছবি। মূলত নেতাজিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ছবির গল্প।
১৮ আগস্ট, ১৯৪৫। এই দিনই পৃথিবীতে নিজের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকু ছেড়ে গিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তাইওয়ানের বিমানে সেই যে তিনি উঠেছিলেন। আর নামতে পারেননি। ১৮ আগস্ট ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল সেই বিমান। সবাই বলেছিল নেতাজি মারা গিয়েছেন। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত আইএনএ-র কাছেও পৌঁছেছিল খবর। কিন্তু তারা বিশ্বাস করেনি। না করারই কথা। নেতাজির মতো নেতা এভাবে মারা যেতে পারেন না। বিশ্বাস করেছিলেন সবাই। কিন্তু বিশ্বাসও তো অমর নয়। তারও একদিন বিনাশ ঘটে। ধীরে ধীরে সবাই মেনে নিতে শুরু করেছিল নেতাজির মৃত্যুকথা। কিন্তু এমন সময়েই ঘটে একটি ঘটনা। যা ভিতর থেকে নাড়িয়ে দেয় আসমুদ্রহিমাচলের প্রতিটি মানুষকে।
সেই সময় কোথা থেকে যেন আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল গুমনামি বাবার। হঠাৎই যেন মাটি ফুঁড়ে উঠে এসেছিলেন স্বয়ং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। মুখের আদল যেন একেবারে নেতাজি বসানো। শোনা যায়, এই গুমনামি বাবার কাছে নাকি এমন অনেক তথ্য ছিল যা শুধুমাত্র নেতাজির কাছে থাকাই সম্ভব। এও শোনা যায়, শুধু সাধারণ ভারতবাসীই নন। তিনিই যে নেতাজি, তা সন্দেহ ছিল তাবড় তাবড় রাজনীতিবিদদেরও। তাই তাঁর উপর অনেক সময় অনেক রকম চাপ আসত। তবে গুমনামি বাবা কখনও নিজেকে নেতাজি বলে পরিচয় দেননি। এই গল্পের বিস্তারিত বর্ণনাই ধরা পড়বে সৃজিতের ক্যামেরায়।
২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ছবিটির। এটি প্রযোজনা করছে ভেঙ্কটেশ ফিল্মস। ছবির নাম এখনও ঠিক হয়নি। আসলে ছবিটি নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে নারাজ পরিচালক। গোটাটাই এখন হয়তো সাসপেন্স রাখতে চান। তবে এটুকু বলেছেন, যেহেতু আজকের দিনে শেষ দেখা গিয়েছিল নেতাজিকে, তাই ছবিটি ঘোষণার দিন হিসেবে ১৮ আগস্টকেই বেছে নিয়েছেন তিনি।