Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মাঝেরহাট থেকেও শিক্ষা হয়নি, বেহাল দশা তিন জেলার একাধিক সেতুর

বেহাল দশায় ৫০ বছরের পুরনো সেতু, হুঁশ নেই প্রশাসনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৮, ২১:১৬

options
link
মাঝেরহাট থেকেও শিক্ষা হয়নি, বেহাল দশা তিন জেলার একাধিক সেতুর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: বীরভূমে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে থাকা ন’টি সেতুই বিপজ্জনক। অভিযোগ, দেখেও দেখছে না জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। কলকাতার মাঝেরহাট সেতু বিপর্যয়ের পর এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন জেলার বাসিন্দারা। একই অভিযোগ কাটোয়ার বাসিন্দাদেরও। গুসকরার কুনুর নদীর উপরে নির্মিত সেতুটি পুরো ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছে। এমনটাই দাবি বাসিন্দাদের। বিপর্যস্ত অবস্থার তালিকাতে পিছিয়ে নেই বালুরঘাটের হিলি সীমান্তের যমুনা নদীর উপরে থাকা সেতুটিও। মাঝেরহাটের সেতু বিপর্যয়ের পর রীতিমতো আতঙ্কের প্রহর গুনছেন এই এলাকার বাসিন্দারা।

বীরভূমের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে থাকা ন’টি সেতুর মধ্যে মল্লারপুর ও নলহাটির সেতু দুটি সাঙ্ঘাতিক রকমের খারাপ অবস্থায় রয়েছে। যেকোনও মুহূর্তে বড়সড় বিপর্যয় ঘটতে পারে। মল্লারপুরে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৯৬-র জানুয়ারিতে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ১৯৯৮ সালে সেতুর উদ্বোধন করেন। তারপর ২০ বছর কেটে গিয়েছে। সেতুর কোনও অংশই সংস্কার হয়নি। সেতুর বিভিন্ন জায়গায় কংক্রিট খসে গিয়ে লোহার জালি বেরিয়ে এসেছে। সেই জালিতে ধাক্কা খেয়ে গাড়ির চাকা ফেঁসেছে। সেতুর মাঝে বড় গর্তে পড়ে দুর্ঘটনা তো হামেশাই ঘটছে। একই অবস্থা নলহাটির ব্রহ্মাণী নদীর উপরে থাকা সেতুটিরও। ৫০ বছরের পুরনো সেতুটি এখন জীর্ণতায় আক্রান্ত। প্রশাসন সেতুর মুখে শুধু একটি বোর্ড ঝুলিয়ে দায় সেরেছে। বোর্ডে লেখা ‘দুর্বল সেতু’। বড়সড় গাড়ি গেলেই দুলতে থাকে ভগ্নপ্রায় সেতুটি। প্রাণ হাতে করে যাতায়াত করেন বাসিন্দারা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[দাদা ও বোনদের বিয়ে ভাঙত কারা? ময়ূরেশ্বরে অধরা খুনির সন্ধানে পুলিশ]

একই ছবি পূর্ব বর্ধমানের গুসকরাতেও। কুনুর নদীর উপরে থাকা সেতু একেবারে ঝকঝকে। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই। তবে নিচের দিকে দেখলেই প্রাণ যায় যায় অবস্থা আর কি। সেতুটি কার্যত ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছে। ঢালাইয়ের অংশ খসে খসে পড়ছে। পিলারের নোনা ধরা ইট ভেঙে বিপর্যয় অবশ্যাম্ভাবী। ভাঙা অংশে জন্মেছে গাছগাছালিও। বেড়িয়ে পড়া রডে মরচে ধরেছে। মাঝেরহাট সেতু বিপর্যয়ের গুসকরার বাসিন্দারা আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

জাতীয় সড়কের অধীনে থাকা হিলির  যমুনা সেতু নিয়ে বাসিন্দাদের উদ্বেগের শেষ নেই। এই সেতু দিয়েই বাংলাদেশে পণ্য পরিবহণের কাজ চলে। বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিনের পুরনো সেতুতে জ্বরার ছাপ পড়লেও সংস্কারে উদ্যোগী হয়নি জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। ১১৬ মিটার দৈর্ঘের সেতুটিতে দিনে অন্তত ২০০টি ট্রাক চলাচল করে। একবারে ৪৫ মেট্রিকটন পণ্য পরিবহণে সক্ষম যমুনা সেতু দিয়ে অহরহ চলছে বেশি ওজনের লরি। কখনও তা ১০০ মেট্রিক টনের লরিও। এত গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে বিপর্যয় নেমে এলে সীমান্ত বাণিজ্য যেমন বিপর্যস্ত হবে। তেমনই বিপাকে পড়বেন বাসিন্দারা।

[স্কুলে দিনবদলের ডাক, রাজধানীতে সম্মানিত ‘জাতীয় শিক্ষক’ অমিতাভ মিশ্র]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.