Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

আধার কার্ড নেই! সরকারি গেরোয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত প্রতিবন্ধী পরিবার

বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস নলহাটির বিডিওর৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮, ১৭:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮, ১৭:০৪

options
link
আধার কার্ড নেই! সরকারি গেরোয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত প্রতিবন্ধী পরিবার zoom
প্রতীকী ছবি।

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: আধার কার্ড নেই! কেন্দ্রের নিয়মের গেরোয় সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত প্রতিবন্ধী পরিবার৷ আধার বিনা আঁধারে প্রায় অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন নলহাটির হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যরা৷ একে তো অভাব, তার উপরে পরিবারের রয়েছে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন দুই সদস্য৷ বেশ কয়েকবার নাম তোলার উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রযুক্তিগত কারণে তালিকা থেকে বাদ পড়েছে পরিবারটির নাম৷ শত চেষ্টার পরও আধার কার্ড না মেলায় চূড়ান্ত বিপাকে দুঃস্থ পরিবার৷

[ফাঁকা বাড়িতে গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা রংমিস্ত্রির, অভিযুক্তকে গণধোলাই]

নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের ভদ্রপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণপাড়ায় বসবাস মার্জিত পরিবারের৷ মেয়ে বছর ২০-র বিশাখা মার্জিত৷ বিশাখা ৯০ শতাংশ প্রতিবন্ধী৷ পুষ্টির অভাব শরীরের স্পষ্ট৷ স্থানীয় মহারাজ নন্দকুমার উচ্চবিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে বিশাখা৷ কিন্তু শারীরিক ও আর্থিক কারণে বেশিদূর আর পড়া এগতে পারেনি৷ স্কুলে পড়তে পড়তেই হাড় বেঁকে যেতে শুরু করে৷ চিকিৎসকদের কোথায় অর্থ আর্থ্রাইটিসের জেরে চলা ফেরায় অসুবিধা বোধ করে৷  মাথারও সমস্যা তৈরি হয়৷ ফলে ১৫ বছর বয়স থেকে বিছানাকে সঙ্গী করেছে বিশাখা৷ তাঁর চিকিৎসার জন্য মাসে হাজার তিনেক খরচ হয় পরিবারের৷ এর সঙ্গে বিশাখার দাদা অনন্ত মার্জিত চল্লিশ শতাংশ প্রতিবন্ধী৷ তাঁরও পায়ের সমস্যা রয়েছে৷ তবুও বোনের চিকিৎসা খরচ জোগাড় করতে ঠেলা ট্রলিতে বাদাম বিক্রি করে যৎসামান্য আয় করেন। বাবা অদ্বৈত মার্জিতের দুটো কিডনিই খারাপ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[গণপতি বন্দনায় শান্তিনিকেতন, উৎসবের আমেজে মেতেছে রতনপল্লি]

ফলে, বেশ কয়েক বছর ধরে তিনিও গৃহবন্দি৷ মা নমিতা মার্জিত এলাকায় পরিচারিকার কাজ করেন৷ মায়ে-পোয়ের উপার্জনে চলে, চার জনের সংসার৷ কিন্তু, পরিবারের আধার কার্ড না থাকায় কোনও সরকারি সুবিধা পাচ্ছে না অসহায় পরিবারটি৷ অনন্ত মার্জিত আধার কার্ডের জন্য দু’দুবার পঞ্চায়েত গিয়েছেন৷ কিন্তু, হয়নি৷ মাধ্যমিক পাশ অনন্ত মার্জিত শুনেছেন আঙুলের ছবি না হলে, চোখের মণিতে আধার হয়। শুনেছেন অনলাইনে আবেদন করা যায়৷ কিন্তু, নিয়ম থাকলেও সহযোগিতার অভাবে এখনও পরিষেবা থেকে বঞ্চিত গোটা পরিবার৷ নলহাটির বিডিও রাজদীপ শঙ্কর গৌতম গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন৷

[দুর্গাপুজোর চাঁদার টাকা আত্মসাৎ! প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.