সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিলিগুড়িতে ডেঙ্গুর থাবা। নিউটাউনের বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেল এক শিশু। বছর সাতেকের এক শিশু। হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ করেছেন মৃতের পরিবারের লোকেরা। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে শিলিগুড়িতে জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে।
[ ১০০ টাকার ডিওতে জতুগৃহ কোটি টাকার বাগরি!]
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে কলকাতায়। এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ছয়জন। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল বছর সাতেকের সায়েশা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলিগুড়ির আশ্রমপাড়ার বাসিন্দা সে। সেখানকারই এই নার্সিংহোমে চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু, ক্রমেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সায়েশাকে কলকাতায় রেফার করেন শিলিগুড়ির নার্সিংহোমের চিকিৎসকরা। ১৪ সেপ্টেম্বর শিশুটিকে এ শহরে নিয়ে আসেন পরিবারের লোকেরা। ভরতি করা হয় নিউটাউনের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার ভোরে মারা যায় সায়েশা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সায়েশার রক্তে ডেঙ্গুর জীবাণু পাওয়া গিয়েছিল।
মেয়ের মৃত্যুর পর হাসপাতালের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন সায়েশা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের লোকেরা। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। মৃতের বাবার দাবি, জ্বর ও বমির উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিল সায়েশা। চিকিৎসক ডেঙ্গু বলে সন্দেহ করছিলেন। কিন্তু, রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করেননি তাঁরা। নিশ্চিত না হয়েই ডেঙ্গুর চিকিৎসা শুরু হয়ে যায়। আর তাতেই হিতে বিপরীত হয় বলে অভিযোগ। সায়েশা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা জানিয়েছেন, আইসিইউ-তে ভরতি ছিল সে। রবিবার রাত থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। কিন্তু, চিকিৎসক পাওয়া যায়নি। শেষপর্যন্ত সোমবার ভোরে মারা যায় সায়েশা বন্দ্যোপাধ্যায়।
[ধর্মের বেড়াজাল ভেঙে সহাবস্থানের পাঠ শেখাচ্ছে ‘জ্বলন্ত’ বাগরি]