Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

কোথায় মালিক? জ্বলন্ত বাগরিতে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের মুখে ফিরহাদ

অকেজো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রগুলিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৮, ১৫:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৮, ১৫:৫২

options
link
কোথায় মালিক? জ্বলন্ত বাগরিতে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের মুখে ফিরহাদ zoom
ছবিতে বাগরি মার্কেটে ফিরহাদ হাকিম, ছবি: পিন্টু প্রধান

অর্ণব আইচ:  ৩৬ ঘণ্টা পরেও দাউ দাউ জ্বলছে বাগরি মার্কেট। লেলিহান শিখায় শুধু মার্কেট নয়, সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ীরাও। ক্ষোভে ফুটছেন ব্যবসায়ীরা। শুধু স্ফুলিঙ্গের দরকার ছিল। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সব হারানো ব্যবসায়ীরা। মন্ত্রীর সান্ত্বনাবাণী শোনার পরিস্থিতিতে তাঁরা ছিলেন না। ঝাঁপিয়ে পড়ে একটাই দাবি জানাতে থাকেন, কোথায় জ্বলন্ত বাগরির মালকিন। শনিবার গভীর রাত থেকে জ্বলছে বাগরি। মার্কেট পুরলেও ধারেকাছে মালকিন রাধা বাগরির টিকি দেখা যায়নি। বিক্ষোভের মুখে ফিরহাদ হাকিমকে নিতান্তই অসহায় দেখাচ্ছিল। ব্যবসায়ীদের জানিয়ে যান, মালিকের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করুন। বাকিটা তিনি দেখছেন।

মন্ত্রী পরিদর্শনে এসে কতটা দেখলেন সেটা বড় কথা নয়, ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রতিমাসেই মেনটেনেন্সের জন্য বাগরির ব্যবসায়ীদের থেকে বিরাট অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়। মার্কেটে ৬৩টি অগ্নি নির্বাপণ য্ন্ত্র থাকলেও তার মেয়াদ উত্তীর্ণ। ছ’তলা বাড়িটিতে আগুন লাগলে সামাল দেওয়ার জন্য জলের পাইপলাইন করা আছে। শনিবার মধ্যরাতে আগুনের করাল গ্রাসে সেই পাইপ অকেজোই পড়ে রইল। কেননা, রিজার্ভার ফাঁকা। দীর্ঘদিন ধরে মোটর খারাপ থাকায় বাগরিতে কোনও জলই নেই। এদিকে মোটর ঠিক করার জন্য ব্যবসায়ীদের থেকে ২৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন, মেনটেনেন্সের টাকা নিয়ে কী করলেন রাধা বাগরি? এতবড় বিপদের দিনে তিনি কোথায়? পুজোর আগে বিক্রিবাটার আশায় মার্কেটে মাল তুলেছিলেন ব্যবসায়ীরা। সব পুড়ে খাক। এমনকী, দোকানের আসববাপত্রও ছাই হয়েছে। কে নেবে দায়? পুলিশ কেন রাধা বাগরিকে ধরছে না? মালকিন তাঁদের বোকা বানিয়েছে। সব হারিয়ে এমনটাই জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে দমকলের উপরেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। চারতলার দোকানগুলিতে মহিলাদের ব্যাগ স্টোর করা ছিল। ছিল উপহারের সামগ্রী। সবই প্রায় দাহ্য পদার্থ। রবিবার সারা দিন সেখানে আগুনের লেশ মাত্র ছিল না। সোমবার বেলা বাড়তেই চারতলায় আগুনের ফুলকি দেখা দেয়। দোকান বাঁচাতে দমকলকর্মীদের কাছে ছুটে যান ব্যবসায়ীরা। তখন দোতলায় আগুন নেভাতে ব্যস্ত কর্মীরা। কেউই গা করেননি। আসলে ডিওডোরেন্টের বিস্ফোরণে আগুন তখন ভয়াল রূপ ধারণ করেছে। দমকল কর্মীরা সেই আগুনের সঙ্গে যুঝছেন। ব্যবসায়ীর আর্তনাদ পিছনে পড়ে রইল। মুহূর্তের মধ্যেই দোকান চলে গেল আগুনের গ্রাসে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ধর্মের বেড়াজাল ভেঙে সহাবস্থানের পাঠ শেখাচ্ছে ‘জ্বলন্ত’ বাগরি]

আগুন নিভলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা আসবেন। কী করে আগুন লাগল, তা নিয়ে তদন্ত হবে। তদন্তের কাটাছেঁড়া চলবে। কিন্তু রুটিরুজি হারানো মানুষগুলির কী হবে কেউ জানে না।

[ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ভুগছে টিয়া, খাঁচা খুলে সাধের পাখি উড়িয়ে দিলেন সিংজি]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.