আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: ধর্মীয় মিছিলে যোগ দিতে যাওয়ার সময় নিত্যযাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও ভয় দেখানোর অভিযোগ। অভিযোগ উঠল কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন এক যুবক। তাঁকে পানিহাটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। এই অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল শিয়ালদহ মেন শাখার সোদপুর স্টেশনে। আতঙ্কিত যাত্রীরা স্টেশনে নেমেই অবরোধ শুরু করেন। বেশ কিছুক্ষণ পর রেলপুলিশের হস্তক্ষেপে ওঠে অবরোধ। দিনের ব্যস্ত সময়ে অবরোধের জেরে মেন শাখার ট্রেন বেশ কয়েকটি স্টেশনে থেমে যাওয়ায়। বিপাকে পড়েছে যাত্রীরা। অবরোধ উঠে গেলেও রেল চলাচল স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।
সোদপুর স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে বিক্ষোভ দেখান আতঙ্কিত যাত্রীরা। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা আপ নৈহাটি লোকালকে থামিয়ে দিয়ে চলছিল অবরোধ। বিবাদ মেটাতে এসে ভিড়ের মধ্যে পড়ে মার খান স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাও। গোটা স্টেশনে ভিড় জমে য়ায়। তবে আরপিএফ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
[ইট বহন থেকে গা টেপানো, খুদে পড়ুয়াদের দিয়ে সবই করাচ্ছেন স্কুল শিক্ষকরা]
জানা গিয়েছে, এদিন আপ বারাকপুর লোকালেই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে। বিধাননগর স্টেশন থেকে সংশ্লিষ্ট কামরায় চড়ে বসে কয়েকজন যুবক। ধর্মীয় মিছিলে যোগ দিতে যাচ্ছিল তারা। ট্রেন ছাড়ার পরেই কোনও একটি কারণে সহযাত্রীদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, এরপরেই দুর্ব্যবহার শুরু করে যুবকের দল। নিত্যযাত্রীরা সমবেতভাবে প্রতিবাদ করলে তারা ভয় দেখাতে শুরু করে। আতঙ্কে কাঁটা হয়ে বারাকপুর স্টেশনে নেমে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন যাত্রীরা। ট্রেনের মধ্যে এহেন ঘটনায় দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ যাত্রীরা বিক্ষোভ শামিল হন।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই রেলের ভুল ঘোষণার জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল সোদপুর স্টেশন। ধুন্ধুমার শুরু হয়ে যায়। মারধর থেকে শুরু করে দিনের ব্যস্ত সময়ে রেল অবরোধ কিছুই বাদ যায়নি। ভাঙচুর করা হয়ে স্টেশন মাস্টারের কেবিন। সেই ঘা শুকনোর আগেই ফের উত্তপ্ত সোদপুর স্টেশন।