সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগে খুন, তারপর তদন্ত। তখনই ক্রাইম সিনে আসেন গোয়েন্দারা। বাস্তবে তো বটেই। ফেলুদা, ব্যোমকেশ বা শার্লক হোমসের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনাই ঘটে। তবে ব্যতিক্রম তো সব কিছুরই আছে। এক্ষেত্রেও তেমনই একটি ঘটনা ঘটে। খুন হওয়ার আগেই গোয়েন্দাকে তদন্তের নিমন্ত্রণ জানায় খোদ টার্গেট।
সত্যবতী, সত্যান্বেষী আর সত্যকাম। তিনটেই ‘স’। আর এই তিন ‘স’ নিয়েই তৈরি হয়েছে রহস্যের খাস বুনোট। এই তিন ‘স’-এর তৃতীয় ‘স’- সত্যকাম নারীতে আসক্ত। গোটা মুসৌরী শহরে এমন কোনও মেয়ে নেই যাকে সত্যকাম চেনে না। আর তাদের সবাইকে একবার না একবার বিছানায় তুলেছে সে। এমনকী সত্যবতীও তার ‘নেক নজর’ থেকে রেহাই পায়নি। কিন্তু দু’জনের মাঝে চিনের প্রাচীর ব্যোমকেশ বক্সি। সত্যবতীর দিকে হাত বাড়ানোর উপায় নেই সত্যকামের। কারণ ব্যোমকেশকে তার দরকার। সে জানে খুব তাড়াতাড়িই তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু দুর্ঘটনা আটকানোর কোনও উপায় তার হাতে নেই। তাই সে চায় তার মৃত্যুর পর তদন্ত করুক ব্যোমকেশ।
[ ইউনিকর্ন আর নকসি কাঁথা নিয়ে স্বাধীনতার গল্প বলবেন তথাগত ]
গল্পের নাম ‘রক্তের দাগ’। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যোমকেশ যাঁদের ঠোঁটস্থ, তাঁরা এই গল্পের সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু তাও অরিন্দম শীলের পরিচালনা মানেই তাতে কিছু ব্যতিক্রমী কোশেন্ট থাকবে। সেটাই সিনেমা হল পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় দর্শকদের। তাই ‘ব্যোমকেশ গোত্র’ নিয়েও একটা সাসপেন্স তৈরি হয়েছে ইতিমধ্যেই। ছবির ট্রেলার মুক্তির পর তারই আভাস মিলল কিছুটা। অরিন্দমের সত্যকাম, শরদিন্দুর সত্যকামের চেয়ে অনেক সাহসী। ক্যামেরা এখানে অনেক সাবলীল। প্রিয়াঙ্কা সরকার বরাবরই ভাল অভিনেত্রী। এই ছবিতেও তিনি অসাধারণ। সত্যকামের বাবা ঊষাপতির চরিত্রে অভিনয় করছেন অঞ্জন দত্ত।
এই ছবি দিয়ে প্রথম অরিন্দমের পরিচালনায় অজিতের ভূমিকায় আত্মপ্রকাশ হতে চলেছে রাহুলের। ব্যোমকেশের ভূমিকায় থাকছেন আবির চট্টোপাধ্যায়ই। সত্যবতীর ভূমিকারও কোনও বদল ঘটছে না। বহাল থাকছেন সোহিনী। সত্যকামের ভূমিকায় দেখা যাবে অর্জুন চক্রবর্তীকে। ছবির একটি বড়সড় পাওয়া হতে চলেছেন অর্জুন। এছাড়া ছবিতে অভিনয় করছেন অনিন্দিতা বোস, ইন্দ্রাশিস রায় ও অরিন্দম শীল নিজে। এবছর পুজোয় মুক্তি পাবে ‘ব্যোমকেশ গোত্র’।
[ অ্যাসিড আক্রান্ত লক্ষ্মীর পাশে অক্ষয়, ৫ লক্ষ টাকা দিলেন অভিনেতা ]