সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী মাসেই পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আর ডিজিটাল যুগের সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রার্থীদের যোগাযোগ অন্যতম প্রধান মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়া। কিন্তু, ঘটনা হল, শুধু প্রচার বা জনসংযোগই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের সম্পর্কে বিদ্বেষমূলক প্রচারও করা হয়। ফলে অশান্তির আশঙ্কা বাড়ে। এবার ভোটের আগে ও পরে সোশ্যাল মিডিয়া বিদ্বেষমূলক প্রচার রুখতে উদ্যোগ নিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে বিশ্বের জনপ্রিয়তম সোশ্যাল নেটওয়ার্টিং সাইটটি।
[ত্রিপুরাতেও এনআরসি করার ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের]
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লোকসভা ভোটের আগে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট কার্যত সেমি ফাইনাল। সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইবে সবকটি রাজনৈতিক দলই৷ টক্কর হবে সেয়ানে সেয়ানে৷ ফলে চড়বে উত্তেজনার পারদও৷ তাই আগে থেকেই সাবধান ফেসবুক৷ বস্তুত শুধুমাত্র বিদ্বেষমূলক মন্তব্য নিয়ন্ত্রণ করাই নয়, নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ রাখারও আবেদন করা হয়েছে৷ ফেসবুকের তরফে জানানো হয়েছে, “আমরা সবসময়ই চাইব, ভারতের আগামী নির্বাচনগুলি স্বচ্ছ ও অবাধ হয় হোক৷ তাই মত আদানপ্রদানের মাধ্যম হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করার জন্য প্রার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন রাখছি।” তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্বেষমূলক প্রচার না করার অনুরোধও জানিয়েছে ফেসবুক।
[‘বন্দে মাতরম্’ বললেই শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে উত্তরপ্রদেশের এই স্কুলে]
শনিবারই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন৷ ভোট হবে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, মিজোরাম, তেলঙ্গানা ও ছত্তিশগড়ে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার ও পি রাওয়াত৷ রাজস্থান-তেলঙ্গানায় নির্বাচন হচ্ছে ৭ ডিসেম্বর এবং মধ্যপ্রদেশ ও মিজোরামে নির্বাচন হচ্ছে ২৮ নভেম্বর৷ কেবলমাত্র মাওবাদী অধ্যুষিত ছত্তিশগড়ে নির্বাচন হচ্ছে দুই দফায়৷ ১২ নভেম্বর হচ্ছে ছত্তিশগড়ের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ৷ সেই দফায় নির্বাচন হবে দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের ১৮টি মাওবাদী কবলিত বিধানসভা কেন্দ্রে৷ দ্বিতীয় দফায় ছত্তিশগড়ে ভোট হচ্ছে ২০ নভেম্বর৷ সেক্ষেত্রে বাকি ৭২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে৷ পাঁচ রাজ্যেই ভোট নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হবে ১১ ডিসেম্বর৷ ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সমগ্র নির্বাচন পদ্ধতি শেষ করা হবে৷