বিক্রম রায়, কোচবিহার: নবমীর বিকেলে দু’গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের কুচনিগ্রাম। ঘটনায় দু’জন তৃণমূল কর্মী জখম হয়েছেন। উত্তেজনার পর দুটি বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয়েছে আরও ১২টি বাইকে। পুড়িয়ে দেওয়া হয় একটি বাড়ি৷ এলাকায় গোষ্ঠী সংঘর্ষের খবর পেয়ে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে মোট ১২টি বাইক পুলিশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি বোমা৷ তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠলেও তা স্বীকার করেছে জেলা নেতৃত্ব।
[নবমী পুজোর আগে গঙ্গাস্নানে গিয়ে তলিয়ে গেলেন যুবক]
দিনহাটা মহকুমার পুলিশ আধিকারিক উমেশ জি খান্ডেলওয়াল জানান, দুটি গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। কয়েকটি বাইকে ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনায় ১২টি মোটরবাইক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশ টহলদারি চালাচ্ছে। দিনহাটার তৃণমূলের বিধায়ক উদয়ন গুহ জানান, পুজো উপলক্ষে বড় সাতদলের প্রধান তাপস দাসের নেতৃত্বে তৃণমূল কর্মীরা বিভিন্ন ক্লাবকে দলের পক্ষ থেকে চাঁদা দিতে গিয়েছিলেন। তাঁদের ফেরার সময় দুষ্কৃতীরা আচমকা হামলা চালায়। ঘটনায় ১ জন তৃণমূল কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে প্রধানের গাড়ি-সহ বেশ কয়েকটি মোটরবাইক। ঘটনার দোষীদের বিরুদ্ধে যাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয় তার জন্য তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। যদিও দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেছেন তিনি৷