Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

নিরাপত্তার স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে বসছে জোড়া ওয়াচ টাওয়ার

৭৪ লক্ষ টাকা খরচ করে ওয়াচ টাওয়ার বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০১৮, ১৭:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০১৮, ১৭:৩৮

options
link
নিরাপত্তার স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে বসছে জোড়া ওয়াচ টাওয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে আগেই উদ্বেগে ছিলেন রাজ্য প্রশাসনের কর্তারা৷ ছিল বেশ কিছু খামতি৷ মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার ফাঁকফোকর বন্ধ করতে এবার উদ্যোগ নিল রাজ্যের পূর্ত দপ্তর৷ মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার কড়াকড়ি করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বসানো হবে জোড়া ওয়াচ টাওয়ার৷ হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে ৭৪ লক্ষ টাকা খরচ করে দু’টি ওয়াচ টাওয়ার বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নির্মাণকারী সংস্থাকে জোড়া ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণের শর্তে বরাত দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে পূর্ত দপ্তরের তরফে ৷ নির্মাণের পর আগামী পাঁচ বছরের জন্য এই টাওয়ারগুলির রক্ষাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদের হাতেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে৷

[কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বাজার আগুন, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের]

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সুবাদে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সবসময় তাঁকে ঘিরে থাকেন উর্দিধারী মহিলা নিরাপত্তাকর্মীরা। মুখ্যমন্ত্রী যখন কোনও জনসভায় ভাষণ দেন, তখন মঞ্চেও হাজির থাকেন নিরাপত্তারক্ষীরা। মঞ্চে ওঠা তো দুর অস্ত, দর্শকদের কেউ যাতে মঞ্চের কাছে আসতে না পারেন, তারজন্য থাকে বাঁশের ব্যারিকেড৷ বাড়িতেও থাকেন বেশ কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী৷ নবান্ন সূত্রে খবর, জোড়া ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ কাজ শেষ হলে সবসময়ের জন্য আরও কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হবে৷   

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[এইডস আক্রান্ত বৃদ্ধার চিকিৎসায় গাফিলতি, কাঠগড়ায় এনআরএস]

৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের দশ বাই দশের ঘরে জায়গা যে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর থাকার উপযুক্ত নয়, তা অনেক আগেই বলে দিয়েছিল নিরাপত্তায় নিযুক্ত অফিসাররা৷ স্থপতিরাও ফিট সার্টিফিকেট দেয়নি৷ কিন্তু তিনি গোঁ ধরে ছিলেন, এখানে, এই ভাবেই থাকবেন৷ পরে, অনেক বোঝানোর পর ২০১৬-র শেষ নভেম্বর নাগাদ একমাসের জন্য বাড়ি সংস্কারের কাজ শুরু হয়৷ কিন্তু, বাড়ি সংস্কার হলেও মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা ছিলই৷ কখনও নিরাপত্তার বলায় ভেঙে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সমর্থকদের পৌঁছে যাওয়া ও গোয়েন্দা রিপোর্টে নিরাপত্তা সংক্রান্ত খামতি প্রকাশ্যে আসার পর জোড়া ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে খবর৷

[মঙ্গলে পুজো কার্নিভাল, জোরকদমে সেজে উঠছে রেড রোড]

প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় অটলবিহারী বাজপেয়ী এসে তাঁর টালির চালা দেখে হতবাক হয়ে যান৷ পরে বলেছিলেন, “মমতা তুমি এখানে থাকো!” তৎকালীন উপরাষ্ট্রপতি ভৈরোঁ সিং শেখাওয়াত, জর্জ ফার্ন্ডান্ডেজের মতো দিল্লির তাবড় নেতারা এসেছেন৷ এসেছেন শ্যাম পিত্রোদার মতো আন্তর্জাতিক মাপের বিশিষ্ট মানুষও৷ তাঁরা সবাই অবাক হয়েছেন মমতার ঘর দেখে৷এখন পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে৷ বেড়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির আনাগোনা৷ ফলে, সাধারণ মানুষের মতো জীবন কাটানো মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে, তা আগে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে গোয়েন্দা দপ্তরের তরফে৷ ফলে, শুধু নিরাপত্তার কারণে যেটুকু ব্যবস্থা করা দরকার তাই-ই করা হবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.