স্টাফ রিপোর্টার: পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব এবার পড়তে শুরু করল খোলাবাজারে। বড়দিনের আগেই মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়তে চলেছে। কারণ কেক খাওয়ার উৎসবের আগেই বাড়তে চলেছে বেকারি সামগ্রীর দাম।
[রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, এবার ছট পুজোয় দু’দিন ছুটি]
মাস পেরলেই বড়দিন। কেক খাওয়ার উৎসব। কিন্তু মধ্যবিত্তের কপালে ভাঁজ বাড়িয়ে দাম বাড়ছে কেক-পাউরুটির। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই পাউন্ড প্রতি তিন থেকে চার টাকা করে বাড়তে চলেছে দাম। কেন আচমকা মূল্যবৃদ্ধি? জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল বেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পেট্রল, ডিজ়েলের দাম বাড়ার ফলে ইতিমধ্যেই ময়দা ও চিনির দাম বৃদ্ধি হয়েছে। বেকারি মালিকদের দাবি, এই পরিস্থিতিতে এখন বেকারি দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি না করা হলে গুণগত মান ঠিক রাখা যাবে না। সমস্যায় পড়বেন এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষরা।
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণেই কেক ও পাউরুটি-সহ অন্য বেকারি দ্রব্যের দাম বাড়ানো অনিবার্য ছিল। বিভিন্ন বেকারি মালিকরা বৈঠক করে মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করেন।
[অমৃতসর কাণ্ডের পরেও রেললাইনের ধারে যাত্রাপালার আসর, শোরগোল ঝালদায়]
প্রতি পাউন্ড পাউরুটির দাম তিন থেকে চার টাকা হারে বাড়ছে। এর ফলে পাউরুটিজাত দ্রব্যের দামও বাড়তে পারে। বড়দিনের আগে পিৎজা থেকে স্যান্ডউইচ – সবই হয়ে উঠতে পারে দামি।উল্লেখ্য, গত ১৫ দিন ধরে লাগাতার অল্প পরিমাণ হলেও কমছে পেট্রোপণ্যের দাম। তবে, দাম কমলেও এক বছর আগে এই সময়ের তা এখনকার তুলনায় অনেকটা কম ছিল। বেকারি সংগঠনের দাবি, এখনই দাম না বাড়ালে লোকসানের মুখে পড়তে হবে ব্যবসায়ীদের, সেই সঙ্গে ভুগতে হবে এই ব্যবসার উপর নির্ভরশীল শ্রমিকদেরও।