সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিলিগুড়িতে জনসভায় বিমল গুরুংয়ের পক্ষে সওয়াল করে বিপাকে বিজেপি নেতা মুকুল রায়। তাঁর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল পাহাড়ে। পোস্টারে বিমল গুরুং, রোশন গিরিদেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে পোস্টারটি নজরে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে কার্শিয়াং বাজারে। কিন্তু, এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না কেউ-ই। তবে জিএনএলএফ কর্মীরাই পোস্টার লাগিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
[ ইসলামপুর বদলে হল ‘ঈশ্বরপুর’, VHP পরিচালিত স্কুলের অনুমোদন বাতিল!]
একসময় দার্জিলিং-সহ গোটা পাহাড়ের সর্বময় নেতা ছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার তৎকালীন সভাপতি বিমল গুরুং। গত লোকসভা ভোটে মোর্চার সমর্থনেই দার্জিলিং থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন বিজেপি সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। কিন্তু, গুরুংয়ের জমানায়ই আবার নজিরবিহীন অশান্তির সাক্ষী থেকেছে পাহাড়। পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পাহাড়ে লাগাতার বনধে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল জনজীবন। মুখ থুবড়ে পড়েছিল পর্যটন ও চা-শিল্প। তবে এখন পাহাড়ের পরিস্থিতি বদলেছে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে শান্তি ফিরেছে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় অভিযুক্ত বিমল গুরুং ফেরার। এদিকে লোকসভা ভোটের আগে ঘনঘন পাহাড়ে যাচ্ছেন মুকুল রায়-সহ রাজ্য বিজেপির নেতারা। গত মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে একটি জনসভা করেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়।তিনি বলেন, ‘বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা হয়েছে, একই অভিযোগ অভিযুক্ত বিনয় তামাংও। তাহলে গুরুংকে কেন আত্মগোপন করে থাকতে হবে? লোকসভা ভোটের সময় পাহাড়ে তাঁর উপস্থিতি একান্ত প্রয়োজন।’ ঘটনাচক্রে, সেই জনসভার তিন দিনের মাথায় মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল পাহাড়ে।
শুক্রবার সকালে কার্শিয়াং বাজারে নেপালি ভাষায় লেখা একটি পোস্টার চোখে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পোস্টারে লেখা ছিল, ‘মুকুল রায় মুর্দাবাদ। বিমল গুরুংয়ের আগে মুকুল রায় পাহাড়ে এসে দেখান!’ শুধু তাই নয়, পোস্টারে বিমল গুরুং, রোশন গিরিদের হুঁশিয়ার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, কারা এই পোস্টার লাগাল? পোস্টারে নিচে লেখা ‘জনতা’। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরে পুলিশ পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়।
[ ছাত্রীর অদ্ভুত হাসিতে ভয়! ভূতের আতঙ্কে ফাঁকা গোটা স্কুল]