অর্ণব আইচ: সরষের মধ্যেই ভূত। পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠল খোদ কলকাতা পুলিশের ডিসির বিরুদ্ধে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। আগামী সপ্তাহে লালবাজারে ডেকে পাঠানো হয়েছে দুই সাক্ষীকে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পরই সামনে আসবে গোটা ঘটনা।
[‘হাঁফ ছেড়ে বাঁচল কলকাতা’, মন্ত্রী শোভনের ইস্তফায় কটাক্ষ দিলীপের]
পুলিশে চাকরি দেওয়ার নাম করে সাড়ে ২১ লক্ষ টাকা জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছিল কলকাতা পুলিশের ডিসি-এসবি স্বাধীন সাহার বিরুদ্ধে। এই অভিযোগের তদন্তে নেমে এবার দুই সাক্ষীকে ডেকে পাঠাল লালবাজার। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সাক্ষীদের লালবাজারে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পাঠিয়েছেন গোয়েন্দারা। লালবাজারে এলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
[নিউটাউনে প্রোমোটার খুনের নেপথ্যে প্রতিবেশী, গ্রেপ্তার ৮]
উল্লেখ্য, কলকাতা পুলিশের অভিযুক্ত ওই ডিসি ঘটনার সময় ছিলেন পঞ্চম ব্যাটালিয়নের এসি পদের দায়িত্বে। এই ব্যাটালিয়নের অফিস ছিল মানিকতলায়। তখন সেখানেই বসতেন স্বাধীন সাহা। সেই সময় কলকাতা পুলিশে চাকরি দেওয়ার নাম করে বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে সব মিলিয়ে সাড়ে ২১ লক্ষ টাকা তোলার অভিযোগ ওঠে ওই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে। এরপর অবশ্য তাঁর পদোন্নতি হয়, এবং তিনি ডেপুটি কমিশনার পদে উন্নীত হন।
[যেখানে সেখানে থুতু-পানের পিক ফেলা বন্ধে কমিটি গঠন মুখ্যমন্ত্রীর]
এদিকে, টাকা দিয়েও চাকরি না পাওয়ায় প্রতারিত ওই যুবকরা মানিকতলা থানায় ডিসির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। অভিযোগ, সেই এফআইআর প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য অভিযোগকারীদের উপর নানাভাবে চাপ আসতে শুরু করে। মামলা না তোলা হলে অভিযোগকারীদের প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়। এরপর এই অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব নেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অভিযোগকারীকে যাবতীয় তথ্য নিয়ে লালবাজারে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু তিনি সেই সমস্ত তথ্য নিয়ে লালবাজারে আসেননি বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাই সাক্ষীদের পাশাপাশি উপযুক্ত তথ্য নিয়ে ফের লালবাজারে আসার জন্য অভিযোগকারীদেরও ডেকে পাঠানো হয়েছে।