Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

টাকা নিয়ে উপস্থিতির হার বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, উত্তেজনা বেহালা কলেজে

অভিযোগের তির টিএমসিপি পরিচালিত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০১৮, ১৮:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০১৮, ১৮:২৯

options
link
টাকা নিয়ে উপস্থিতির হার বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, উত্তেজনা বেহালা কলেজে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেন্ট পলস কলেজের পর এবার ছাত্র সংসদের দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল বেহালা কলেজ। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ পরিচালিত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে সরব পড়ুয়ারা। অভিযোগ, পড়ুয়াদের থেকে টাকা নিয়ে ক্লাসে উপস্থিতির হার বাড়িয়ে দিচ্ছে ছাত্র সংসদ। যার প্রতিবাদে শনিবার কলেজের গেটে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় কলেজ ক্যাম্পাসে। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ এবং ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক।

[ছুরির আঘাতে রক্তাক্ত, রাতের ট্রেনে ৩ ডাকাতকে একাই রুখে দিলেন ‘বীরাঙ্গনা’  ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মাবলী অনুযায়ী যে কোনও পড়ুয়াকে পরীক্ষায় বসতে গেলে উপস্থিতির হার অন্তত ৬০ শতাংশ রাখতে হবে। কিন্তু এদিন কলেজে একদল পড়ুয়া বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এই অভিযোগ তুলে যে, টিএমসিপি পরিচালিত ছাত্র সংসদ পড়ুয়াদের থেকে টাকা নিয়ে ক্লাসে উপস্থিতির হার বাড়িয়ে দিচ্ছে। অভিযোগ, কারও কাছ থেকে দেড় হাজার আবার কারও কাছ থেকে ২০০০ টাকা নিয়ে ক্লাসে উপস্থিতির হার বাড়িয়ে দিচ্ছে ইউনিয়ন। যাতে তাঁরা পরীক্ষায় বসতে পারেন। এই অভিযোগেই শনিবার কলেজ গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখান বেশ কিছু পড়ুয়া। তারপর ইউনিয়নের কিছু সদস্যের সঙ্গে বচসা বাধে বিক্ষোভকারীদের। সেই বচসা হাতাহাতির আকার নেয়। উত্তেজনা ছড়ায় কলেজ ক্যাম্পাসে। ঘটনার কথা কলেজের অধ্যক্ষ শর্মিলা মিত্রকে জানানো হলে তিনি যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এমন কোনও ঘটনা কলেজে হয়নি। কেউ বা কারা টাকা নিয়ে পড়ুয়াদের উপস্থিতির হার বাড়িয়ে দিতে পারে না। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম বহির্ভূত। তবে তিনি অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

[নবান্নের নর্থ গেটে চলল গুলি, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য]

একইভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক আসলাম খান। তিনি জানিয়েছেন, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। এমন কোনও কাজ ইউনিয়ন করেনি। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা দীর্ঘক্ষণ কলেজের গেটে অবস্থান করেন। তাঁদের দাবি, অধ্যক্ষ এবং জিএস-কে সামনে আসতে হবে। এই দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.