Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

চোট সারিয়ে ফের বাজিমাত, বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ পেলেন দীপা

অলিম্পিক খেলার পথে আরও একধাপ এগোলেন ত্রিপুরার মেয়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০১৮, ০৯:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০১৮, ০৯:৪৬

options
link
চোট সারিয়ে ফের বাজিমাত, বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ পেলেন দীপা zoom

স্টাফ রিপোর্টার: তুরস্কের পর জার্মানি। ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের পর আর্টিস্টিক জিমন্যাসটিক্স ওয়ার্ল্ড কাপে পদক পেলেন দীপা কর্মকার। ভারতীয় জিমন্যাসটিক্সে  অবশ্যই ইতিহাস গড়ার পথে এগিয়ে গেলেন ত্রিপুরার মেয়ে। তবে তুরস্কে পেয়েছিলেন সোনা। এখানে পেলেন ব্রোঞ্জ।কিন্তু, তাতে কী! এই পদক পেয়ে টোকিও যাওয়ার ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে গেলেন তিনি। এখন অস্ট্রেলিয়া, দোহা বা বাকুরের মধ্যে দু’টো জায়গায় পদক পেলেই দীপার টোকিও যাওয়া নিশ্চিত হয়ে যাবে।

[ষষ্ঠবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, বক্সিংয়ে নয়া ইতিহাস মেরি কমের]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বক্সার মেরি কমের ইতিহাস গড়ার দিনই পদক জিতলেন দীপা কর্মকার। এখন দু’টো ভল্টের ওপর ভর করে এগোচ্ছেন তিনি। এক, পাইক ফ্রন্ট সমারসল্ট উইথ ৩৬০ ডিগ্রি টার্ন, দুই-সুকুহারা স্ট্রেট বডি উইথ ৭২০ ডিগ্রি টার্ন। শনিবারও যথারীতি ওই দু’টো ভল্টেই বাজিমাত করে বেরিয়ে যান তিনি। কিন্তু সমস্যা দাঁড়ায় পাইক ফ্রন্ট সমারসল্টের ক্ষেত্রে। এই ভল্টে দীপা ৩৬০ ডিগ্রি টার্ন নেন। যদি ৫৪০ ডিগ্রি টার্ন নিতে পারতেন তাহলে তাঁর সোনা পাওয়া কেউ আটকাতে পারত না। কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী ঠিক করে দিয়েছিলেন, দীপা যেন কোনওমতে ৩৬০ ডিগ্রির বেশি দেওয়ার চেষ্টা না করেন। কারণ তার চেয়ে বেশি দিতে গেলেই চোট পাওয়ার সম্ভাবনা থাকত। অথচ দীপা ৫৪০ ডিগ্রি ভল্ট দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তাই দীপা  ১৪, ৩১৬ পয়েন্ট পেয়ে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন। সোনা ও রুপো পান যথাক্রমে ব্রাজিলের রেবেকা আন্দ্রে ও আমেরিকার জ্যাড ক্যাবে।

জিমন্যাসটিক্সের নিয়ম হল, অলিম্পিকে যাওয়ার ছাড়পত্র তখনই একজন জিমন্যাস্ট পান, যখন চার-পাঁচটা বিশ্বকাপে তিনি পদক পান।দু’টো পদক হয়ে গেল দীপার। বাকি দু’টো পদক পেলেই টোকিও যাওয়া নিশ্চিত হয়ে যাবে। দীপা কর্মকারের কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী বলেন,, “দীপার উপর বিশ্বাস ছিল। জানতাম ফিট থাকলে তাকে রোখা মুশকিল। তাই নামার আগে শুধু বলেছিলাম, যা করিস না কেন মাথা ঠান্ডা রেখে এগোবি। সেই কাজটাই করেছে।”  

 

 

[ রাজ্যবর্ধনের বায়োপিক? পরিচালক হিসেবে কাকে চান ক্রীড়ামন্ত্রী?]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.