Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ! ভোলবদল চিনা মিডিয়ার

তুঙ্গে বিতর্ক৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০১৮, ১৯:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০১৮, ১৯:৫১

options
link
পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ! ভোলবদল চিনা মিডিয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের উপর থেকে কি মন উবে গেল তাঁদের সব ঋতুর বন্ধু চিনের? অনুগত ইসলামাবাদের উপর থেকে কি ধীরে ধীরে তাঁদের সমর্থন তুলে নিচ্ছে বেজিং? চিনা মিডিয়ার সাম্প্রতিক ভোলবদল ঘিরে এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে৷ কারণ, যে অঞ্চলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে চরমে ভারত-পাক দ্বন্দ্ব, সেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরকেই এবার ভারতের অংশ হিসাবে দেখাল চিনা সংবাদমাধ্যম৷ যা উসকে দিয়েছে নয়া বিতর্ক৷

[সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে ফের মোদিকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে পাকিস্তান]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত শুক্রবার করাচির চিনা দূতাবাসে হামলা চালায় চারজন পাক সন্ত্রাসী। তাদের গুলিতে প্রাণ হারান দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী ও আহত হন একজন৷ টেলিভিশনের পর্দায় শুক্রবার এই খবরই বর্ণনা করছিল আন্তর্জাতিক চিনা সংবাদমাধ্যম সিজিটিএন এবং তখনই পাক অধিকৃত কাশ্মীরকেও ভারতের অংশ হিসাবে দেখায় ওই সংবাদমাধ্যম৷ যদিও কাজটি ইচ্ছাকৃত ভাবে করা নাকি, ভুলবশত হয়ে গিয়েছে সেই বিষয়ে কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি সিজিটিএন চ্যানেলের তরফ থেকে৷ এমনকী, বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি পাকিস্তান৷

[চিনে রাসায়নিক প্ল্যান্টের কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ২২]

যদিও, বিষয়টিকে হালকা ভাবে নিতে নারাজ আন্তর্জাতিক মহল৷ তাঁদের মতে, কাশ্মীর থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদ এতদিন সমস্ত ইস্যুতেই পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে চিন৷ একদিকে যেমন, অধিকৃত কাশ্মীরকে বরাবরই পাকিস্তানের অংশ হিসাবে দেখিয়ে আসছে বেজিং৷ তেমনই, ভারত, আমেরিকা-সহ অন্যান্য রাষ্ট্রের দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে মাসুদ আজহারের মতো সন্ত্রাসবাদী নেতাকেও কালো তালিকা ভুক্ত করতে রাজি হয়নি তারা৷ সেক্ষেত্রেও পাকিস্তানের দাবিতেই সায় দিয়েছে জিনপিং প্রশাসন৷ এমনকী, ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ নীতির উপর ভিত্তি করে, পাকিস্তানের গদর পোর্ট থেকে চিনের শিনজিং প্রদেশ পর্যন্ত অর্থনৈতিক করিডর তৈরি করছে জিনপিং প্রশাসন৷ কিন্তু এতকিছুর পরেও, পাকিস্তানের উপর থেকে চিনা মিডিয়ার এই মোহভঙ্গের কারণ নিয়ে ধন্দে রয়েছে ওয়াকিবহাল মহল৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.