Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

রাজধানী, শতাব্দীকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত দেশের প্রথম ইঞ্জিনবিহীন ‘ট্রেন-১৮’

জানুয়ারিতেই সূচনা৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০১৮, ১৪:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০১৮, ১৪:২৮

options
link
রাজধানী, শতাব্দীকে টেক্কা দিতে প্রস্তুত দেশের প্রথম ইঞ্জিনবিহীন ‘ট্রেন-১৮’ zoom

সুব্রত বিশ্বাস: দেশের মধ্যে ‘কুলীন’ ট্রেন বলে পরিচিত রাজধানী, শতাব্দী। ভাড়াও আকাশছোঁয়া। এবার সেই কুলীনত্বকে টেক্কা দিচ্ছে ট্রেন-১৮। রাজধানীর চেয়েও ভাড়া পাঁচগুণ হওয়ার সম্ভাবনা। বোর্ড কর্তাদের কথায়, নির্ধারিত ভাড়া কী হবে তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। তবে সেমি হাইস্পিড ট্রেন-১৮ কে বিলাসবহুল বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে তার ভাড়া সেই নিরিখেই হবে।

[দুর্নীতি রুখতে দেশজুড়ে বদলির নির্দেশ রেল পুলিশের নয়া ডিজি-র]

ট্রেন-১৮ দেশের বিভিন্ন জোনে আলাদা আলাদাভাবে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে। আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শেষে ১ জানুয়ারি থেকে এই নতুন ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রেল বোর্ড। সর্বোচ্চ ১৮০ কিলোমিটার গতিতে চলবে এই ট্রেন। অধিকারিকদের মতে, প্রথমে ১০০ কিলোমিটার গতিতে চলা শুরু করবে। তারপর গতির সীমা বাড়বে ধীরে ধীরে। ভোপাল-দিল্লির মাঝে শতাব্দী এক্সপ্রেসের জায়গায় এই ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর পর দিল্লি-মুম্বইয়ের মাঝে চলবে এই ট্রেন। আগামী মে, জুন পর্যন্ত আরও পাঁচটি রেক তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তখন রাজধানী এক্সপ্রেসের জায়গায় ট্রেনগুলিকে চালানো হবে। তবে, রাজধানীর চেয়ে অনেক বেশি ভাড়া গুনতে হবে। ট্রেন-১৮ প্রথম রেকটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। ব্যবসায়িকভাবে খরচ কমিয়ে ৮০ কোটিতে আনার জন্য নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে রেল। এই ট্রেন তৈরিতে বিদেশে খরচ হয় ১৫০ কোটি টাকা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বাংলাদেশে নাশকতার ছক, অসমে আত্মগোপন ১৫ জন জামাত জঙ্গির]

রাজধানীর চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি গতির এই ট্রেন তৈরি করেছে চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি। স্লাইডিং ডোর, মেট্রোর মতো ট্রেন দাঁড়ালে তবেই তা খুলবে। দুটি এক্সিকিউটিভ কামরাতে সিট সংখ্যা ৫২। এই কামরার সিট ঘুরবে গতিমুখ অনুযায়ী। ট্রেলার কামরাতে ৭৮টি করে সিট থাকছে। থাকছে ডিফিউজাল লাইটিং ব্যবস্থা, ইনফরমেশন বোর্ড, ওয়াই ফাই সুবিধা, ভ্যাকুয়াম টয়লেট, জিপিএসে প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম ইত্যাদি বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.