শুভদীপ রায় নন্দী, শিলিগুড়ি: ১৮ ফুট উঁচু এনক্লোজার টপকে পালিয়েছে শচীন, এখনও হদিশ মেলেনি। তাই এনক্নোজারে আর থাকা হবে না সৌরভেরও। আপাতত কয়েকদিন নাইট শেলটারে রাখা হবে তাকে!
ব্যাপারটা কী? ব্যাট-প্যাডে নয়, স্রেফ নামটাই ইউএসপি। মাস ছয়েক আগে দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্য খয়েরবাড়ির জঙ্গল থেকে দুটি চিতাবাঘ আনা হয় শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্কে। একটির নাম রাখা হয় শচীন, আর অপরটির সৌরভ। নিয়মমাফিক কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর, দুটি পুরুষ চিতাবাঘকে ছেড়ে দেওয়া হয় খোলা এনক্লোজারে। দ্রুত নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছিল শচীন। কিন্তু, সৌরভকে নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষকে। পশুদের খোলা এনক্লোজারে রাখা হলেও, নির্দিষ্ট সময় অন্তর খাঁচায় ঢোকানোই নিয়ম। খাঁচায় যেমন খাবার দেওয়া হয়, তেমনি প্রয়োজনমতো চিকিৎসাও চলে। সাফারি পার্ক সূত্রে খবর, এনক্লোজারে ছাড়ার পর আর নাইট শেলটার বা খাঁচায় ঢুকতে চাইছিল না চিতাবাঘ সৌরভ। কিন্তু, এখন অবশ্য বেশ কয়েকদিন নাইট শেলটারেই থাকতে হবে বাঘটিকে। কারণ, শচীন পালিয়েছে!
[ আংশিকভাবে খুলল বেঙ্গল সাফারি পার্ক, এখনও হদিশ নেই চিতাবাঘের]
মঙ্গলবার ভোরে এনক্লোজার থেকে পালিয়ে যায় সাফারি পার্কের চিতাবাঘ শচীন। পার্কে টহল দেওয়ার সময় ঘটনাটি নজর পড়ে মনিটারিং টিমের। নতুন বছরের প্রথমদিন পার্ক বন্ধ রেখে চলে তল্লাশি। কিন্তু, চিতাবাঘের সন্ধান মেলেনি। বুধবার সকাল থেকে ফের বেঙ্গল সাফারি পার্কে তল্লাশি শুরু করেছে বনদপ্তর। কুনকি হাতি নিয়ে চলছে তল্লাশি। তবে এখনও পর্যন্ত শচীনের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে খবর। এদিকে বুধবার থেকে আবার পর্যটকদের জন্য আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হল বেঙ্গল সাফারি পার্ক। তবে আপাতত পায়ে হেঁটে ও হাতির পিঠে চড়ে সাফারি বন্ধ।